TSNM News : কেন্দ্র সরকারের কয়লাখনিতে আগুন, ধোয়া, আতংক। পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের ভানোর খোলামুখ কয়লাখনির কয়লা ডিপোতে আগুন লাগার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল কলিয়ারী এলাকায়। গত দু দিন ধরে জ্বলতে থাকা কয়লা ব্যাপক রূপ নেয় বুধবার সকালে। ঘটনাস্থলে দেখা যায় শুধুমাত্র দুটি জলের ট্যাংকার। যা দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। যদিও কি কারণে আগুন লাগল সে বিষয়ে মুখ খুলতে চায় নি খনি কর্তৃপক্ষ। প্রসঙ্গত কেন্দ্রীয় সরকারের আওতাধীন ইস্টার্ন কলফিল্ড লিমিটেডের ভানোর খোলামুখ খনির কয়লা উত্তোলনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এক বেসরকারি কোম্পানি কে।
সেতু বানাতে উদ্যোগী আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভার বিধায়কা অগ্নিমিত্রা পাল
যে কোম্পানির মালিক পক্ষের লোক হিসেবে বিজেপি সাাংসদ এর নাম উঠে আসছে। খনি সার্ভেয়ার এর কথায় — দীর্ঘদিন ধরে উক্ত মজুত কয়লা ডেস্প্যাচ করা হয়নি বলে এই আগুন লেগেছে। কলিয়ারী এর ভাষায় যাকে স্পনটেনিয়াস ফায়ার বলা হয়। সূত্রের খবর, ট্যাংকার এর জল দিয়ে এই আগুন নেভানো যায় না। যতক্ষণ সমস্ত কয়লা স্থানান্তরিত করা না যাবে ততক্ষণ আগুন থেকেই যায়। এটাই কয়লা অঞ্চলের চরিত্র।
প্রকাশ্যে দুর্নীতি, নদীতে হটাৎ সেতু, অবৈধ প্লটিং, আসানসোল করপোরেশনের বড় পদক্ষেপ
আসানসোলের সালানপুর ব্লকের কোনও শিশুই খাবার পেল না অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র
বিখ্যাত স্যামসেল কারখানার রানীগঞ্জের কাছে মঙ্গলপুর ছাই, তাপস বাবুর হুঙ্কার
এই ও এসেছে তো, স্কুলে ঢুকতেই দেখা গেল দুজন ছাত্রী উপর দিকে তাকিয়ে কি যেন খুঁজছে।
মায়ার টানে , ভগ্নপ্রায় হোস্টেলে , দুর্বিষহ জীবন, একটু বাড়ির ব্যবস্থা করে দিন
কোভিডের সময় আন্দোলনে খুদে পড়ুয়ারা
কেন্দ্র সরকারের কয়লাখনিতে আগুন, ধোয়া, আতংক
প্রসঙ্গত – অবৈধ কয়লার ক্ষেত্রে সিবিআই এর হানায় প্রমাণিত হয়েছে সরকারি কয়লাখনি থেকে কয়লা লুটের ঘটনা। সেই ক্ষেত্রে কয়লায় আগুন ধরিয়ে চুরির কয়লার হিসেব মেটাতে এমন ঘটনার সন্দেহ প্রকাশ করছে ওয়াকিবহাল মহল।
আবার কয়লায় আগুন লাগলে কয়লার গুনগত মান নষ্ট হয়। ফলে বরাত দিয়ে বেসরকারি কোম্পানির উপর দায়ভার চাপিয়ে আসল হিসেবের গরমিল করাই কি লক্ষ্য? সে বিষয়ে ও প্রশ্ন উঠছে। যেহেতু খনির মালিকানায় নাম জড়িয়েছে সাংসদ অর্জুন সিং এর। যদিও কোনো বিষয়ে ই মুখ খোলেনি খনির উচ্চ আধিকারিক রা।

