কোভিড কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাস্তায় খুদে পড়ুয়ারা, তৃণমূলের জঙ্গি আন্দোলন, পথ অবরোধ, মিছিল… বলছেন ” আদমি মর্তা তো কায়া নেহি কর্তা ” শহর জুড়ে মিছিল। তৃণমূলের মিছিল। মিছিলে পা মিলিয়েছে খুদে পড়ুয়ারা। প্রায় 3 কিলোমিটার ধরে চলল মিছিল। দেখা গেল হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে ব্যাপক ভিড়ে খুদে পড়ুয়ারা। তাও আবার স্কুল ড্রেস পরে। শুধু মিছিলেই নয়। আসানসোলের ব্যস্ত তম এলাকা ভগত সিং মোড়ে মাটিতে বসে রাস্তা অবরোধ ও করতে দেখা গেল তাদের। দাবি জল চাই, আলো চাই। আন্দোলনকারী তথা তৃণমূলীদের কথায় ..কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন শামিল তারা। জল আলো বাচ্চা দের ও দরকার।
সম্পুর্ন খবর দেখতে ইউটিউব এ সাবস্ক্রাইব করুন Tsnm news
শুধু তাই নয়। আন্দোলনে শামিল মহিলারা জানান…দীর্ঘ দিন ধরে আসানসোলের বার্ন স্ট্যান্ডার্ড কারখানার কর্মী দের বাড়িতে আলো নেই, জল নেই। বন্ধ পড়াশুনা। অনেকেই এসেছেন গেছেন। এখন দায়িত্বে বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল। হচ্ছে না তাই। তাই কোভিড নিয়ম উপেক্ষা করে আন্দোলনে শামিল তারা। বলছেন জল না পেলেও মরতে হবে আর কোভিড না মানলেও মরতে হবে। তাই এত জমায়েত।
প্রসঙ্গত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে কোভিড বিধি মানতে বলছেন, নাইট কারফু জারি করেছেন, কোভিডের কারণে স্কুল বন্ধ রেখেছেন সেখানে সব নিয়ম নীতি কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তৃণমূলের খুদে পড়ুয়াদের স্কুল ড্রেস পরিয়ে আন্দোলনে শামিল করায় প্রশ্ন উঠেছে শিল্পাঞ্চলে।
কোভিডের সময় আন্দোলনে খুদে পড়ুয়ারা
বিশেষত আন্দোলন কারীরা জল আলোর দাবিতে আন্দোলন করছেন দীর্ঘদিন ধরে। আলোর অভাৱে বন্ধ পড়াশুনা এমনটাই অভিযোগ তাদের। অপর দিকে আলোর এভাবে যেমন বন্ধ হচ্ছে অন লাইন ক্লাস ঠিক তেমন ই পানীয় জলের অভাবে নির্জলা হয়ে পড়ছে এলাকা। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে আন্দোলনকারীরা সবাই করোনা নেগেটিভ বা করোনা পসিটিব কিনা বলা কারোর পক্ষেই সম্ভব নয়। আবার সবাই ভ্যাক্সিনেটেড কিনা তাও কেউ জানেন না। সে ক্ষেত্রে করোনা সংক্রমিত হলে তার দায়ভার কে নেবেন। বিশেষত শিশুরা বা খুদে দের ক্ষেত্রে যদি এমন ঘটনা ঘটে তা সবচেয়ে বেশি দুঃখ জনক হবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

