তৃনাঞ্জন চট্টোপাধ্যায় / পশ্চিম বর্ধমান – প্রকাশ্যে দুর্নীতি, নদীতে হটাৎ সেতু, অবৈধ প্লটিং, আসানসোল করপোরেশনের বড় পদক্ষেপ। এ যেন আজব দেশের গজব কাহিনী। লক ডাউন কে হাতিয়ার বানিয়ে আসানসোলের অন্যতম নদী নুনিয়া নদীর বুকে স্থায়ী সেতু বানিয়ে ফেললেন কেউ বা কারা। শুধু তাই নয়, সেতুর পিছনে বিশাল জমিতে শুরু করে দিলেন প্লটিং। শুধু প্লটিং ই নয়। বিক্রি ও করে দিয়েছেন বেশ কিছু জমি।
আসানসোল উত্তর থানার ঢিল ছড়া দূরত্বে , 14 নম্বর ওয়ার্ডে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। খবর পেয়ে ই সোমবার সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় আসানসোল করপোরেশনের টিম। আসানসোল উত্তর থানার পুলিশ। সেতু ভাঙার জন্য ডোজার। কিন্তু তাও ফিরে আসতে হল তাদের।
এলাকায় গিয়ে দেখা গেল কয়েকজন এলাকার লোক করপোরেশন এর আধিকারিক দের বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। সরকার সেতু তৈরি না করে দিলে এই অবৈধ সেতু ভাঙতে দেওয়া যাবে না বলে তাদের দাবি। তবে TSNM News এর অন্তর্তদন্তে উঠে এল অন্য তদন্ত।
সেতু তো অবৈধ, সে কারণেই ভাঙতে এসেছে প্রশাসন। তদন্তে উঠে এল , যে বিশালাকার জমিতে প্লটিং হচ্ছে তার অনুমতি ই নেই। প্লটিং এর খবর যাবে না প্রশাসন, জানে না জমি দপ্তর ও। আসানসোল মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের আধিকারিক ক্যামেরা তেই বলে ফেললেন – জমি প্লটিং এর কোনো অনুমতি নেই। নকশা নেই। অথচ প্লটিং করে বিক্রিও করে দেওয়া হয়েছে।
প্রকাশ্যে দুর্নীতি, নদীতে হটাৎ সেতু, অবৈধ প্লটিং, আসানসোল করপোরেশনের বড় পদক্ষেপ
এ বিষয়ে জমির মালিক – পারস রায় বলেন —
তার জানা নেই যে এই সেতু তৈরি করতে হলে অনুমতি লাগে। এলাকার মানুষের নদী পারাপারের সুবিধার জন্য তিনি করেছেন। প্রশাসন সেতু বানিয়ে দিলে তাদের করতে হত না।
অপর দিকে আসানসোল মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের আধিকারিক বলেন–
সেতু তো অবৈধ ভাবে তৈরি করেছেন। তার সাথে জমির প্লটিং ও অবৈধ। কোনো অনুমতি বা নকশা ও নেই। আবার সে জমি তিনি বিক্রি ও করেছেন কয়েকজনকে। শিগ্রহী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সূত্রের খবর অল্প দামে জমি নিয়ে নদীর উপর সেতু করে জমির দাম বাড়ানোর জন্য ই এমন অসাধু উদ্যোগ। এখন দেখার পরিস্থিতি কোথায় পৌঁছায়।

