যে কোনো মুহূর্তে মৃত্যু হতে পারে এই গ্রামের বহু মানুষের, কাজ হচ্ছে না মন্ত্রী মলয় ঘটকের চিঠি তেও। শুনলে অবাক হবেন এই গ্রামের মানুষ বাড়ি থেকে বেরিয়ে ই প্রথমে উপর দিকে তাকায়। না সূর্য প্রণাম নয়। দেখে বিদ্যুতের তার। আতঙ্কে আগেই দেখে নেই ছিড়ে পড়বে না তো 11000 ভোল্টের তার ? 4 বছর ধরে লড়াই করেও সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। মন্ত্রী মলয় ঘটকের চিঠিতেও কাজ হচ্ছে না বলে অভিযোগ । যে কোনো মুহূর্তে মৃত্যু হতে পারে কয়েকশ গ্রামবাসীর। আতঙ্কে গ্রামবাসীরা। শুক্রবার সকালের ঘটনা যেন আরো বেশি আতংক ছড়াল গ্রামে।
সকাল বেলা দোকান খুলতেই মাথার পাশে ছিড়ে পড়ল 11000 ভোল্টের বিদ্যুতের তার। অল্পের জন্য প্রবে বাঁচলেন উত্তর আসানসোলের শীতলা গ্রামের যুবক তথা দোকানদার। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। বিদ্যুতের গাড়িকে দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখে এলাকাবাসী। ঘটনাস্থলে আসানসোল উত্তর থানার পুলিশ পৌঁছালেও হয়নি সমস্যার সমাধান। এলাকার মানুষের দাবি। সারা গ্রাম জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে বিদ্যুতের 11000 ভোল্টের তার। সব ই ছেড়া তার কে জয়েন করে ঝুলিয়ে রেখেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। বার বার জানিয়েও লাভ হয়নি। মন্ত্রীর ফরোয়ার্ড করা চিঠিতেও কাজ হচ্ছে না। যে কোনো মুহূর্তে মৃত্যুর মত ঘটনা ঘটতে পারে এলাকায়।
শুধু তাই নয়। হিন্দু মুসলিম এর একত্রে বসবাস করা এই গ্রামে শুক্রবার বিকেলে ব্যাপক ভিড় হয়। সকাল বেলায় তার ছিড়ে পড়ায় বিপদ থেকে বেঁচেছে একজন। কিন্তু বিকেলে হলে ভয়ংকর ঘটনা ঘটত। বার বার এক ই কান্ড হওয়ার পরেও হুশ নেই বিদ্যুৎ বিভাগের। তাই প্রশাসনের সামনেই আটকে রেখেছে তারা বিদ্যুৎ বিভাগের মত ইমার্জেন্সি গাড়িকে।
মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচলেন যুবক
Read More – গানে মাতালেন রাজ্য নেত্রী
অপর দিকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা যুবক জানান , সকালে দোকান খুলতেই হটাৎ ই 11000 ভোল্টের তার ছিড়ে পরে তার মাথার পাশে। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। গোটা গ্রাম জুড়ে 11000 ভোল্টের ছেড়া তার। মাঝে মধ্যেই ছিড়ে পরে । 2017 সাল থেকে চিঠি লিখেও কোনো কাজ হচ্ছে না। প্রসঙ্গত গোটা গ্রাম জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে বিদ্যুতের তার। তাও আবার 11000 ভোল্ট। বার বার বিপর্যয় ঘটে। অন্ধকার হয়ে পড়ে এলাকা। তবু জোড়াতালি দিয়ে ই কাজ হয়।

