কখনো গানে কখনো জন সমুদ্রে, আবার কখনো হাসি মুখে রাজনৈতিক বক্তব্যে সায়নী ঘোষ। আসানসোলের বারাবনির মাঠে এমনটাই দেখা গেল তৃণমূলের রাজ্য নেত্রীকে। দেখালেন জনসংযোগের প্রথা। কি ভাবে মিশতে হয় সাধারণ মানুষের সাথে। মঞ্চে উপবিষ্ট সিনিওর নেতাদের সম্মান দিয়ে বললেন অনেক কথা। বললেন যাদের কাছে টাকা তারাই বিজেপি তে। যারা বাইরে থেকে এসে বলেছিল ” দিদি ও দিদি ” তাদের মুখে ঝামা ঘসেছে মানুষ। বললেন একটাই মুখ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়। যথেষ্ট দৃঢ়তার সঙ্গে বললেন ত্রিপুরাতে একা খেলবেন আর রাজ্যে মোদি বিরোধী যে কেউ আসতে পারে। গানে মাতালেন
স্বর্গীয় মানিক উপাধ্যায়ের গড় বর্তমানে বিধান উপাধ্যায়ের বারাবনি ছিল মানুষের ঢল। জন সমুদ্রে ভাসতে ও দ্বিধা বোধ করেন নি তিনি। কেউ বলেছিলেন বাচ্চা আবার কেউ বলেছিলেন রাজনীতিতে শিশু। কিন্তু আজ যেন যোগ্য নেত্রী। পেয়েছেন রাজ্যের পদ। হেরে যাওয়া শিল্পাঞ্চল তার কাছে যেন অন্য এক প্রাণ। এ দিনের সভায় পশ্চিম বর্ধমান জেলার তৃণমূল সভাপতি বিধান উপাধ্যায় ও বোঝালেন তার কথা। কর্মী দের বোঝালেন কোনো দাদা দিদি নয়। একটাই দিদি। যার মুখ দেখে তৃণমূল। আগামী লোকসভায় আরো বেশি ভোটে লিড দিতে হবে। দিদি যে সম্মান বারাবনি কে দিয়েছেন তার সম্মান বজায় রাখাই আসল কাজ। জেলাতে কোনো গোষ্ঠীদ্বন্দ চলবে না।
গানে মাতালেন রাজ্য নেত্রী
প্রসঙ্গত আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে অল্প কিছু ভোটে হেরেছেন সায়নী ঘোষ। আবার তৃণমূল কে সবচেয়ে বেশি লিড দিয়েছে বারাবনি। সায়নী ও পেয়েছেন সুযোগ্য স্থান। দিদির নজর করেছেন বিধান। বিধানের বিধান ই যে বারাবনির শেষ কথা তা আবার প্রমান করল বারাবনির মানুষ। দীর্ঘ 2 ঘন্টা দেরিতে সায়নী এলেও মানুষ অপেক্ষায় ছিলেন হাসি মুখে। বক্তব্য একটাই। বিধানের সম্মান। দিদির সম্মান। বারাবনির এ হেন সভা বুঝিয়ে দিল প্রচার মুখী না হয়েও বিধান উপাধ্যায় বা অসিত সিং এর আন্তরিক প্রচেষ্টা সুফল এনেছে বারাবনি তে।
Read More – এ পাড়ার মেয়েরা বিয়ে করতে চান না
ইউটিউব এ সাবস্ক্রাইব করুন ” tsnm news ”
প্রসঙ্গত বারাবনি বিধানসভা বরাবরই তৃণমূলের। কিন্তু লোকসভা ধরে রাখা যায়নি। তার আগে রয়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচন। সেই নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে এখন থেকেই মাঠে নেমে পড়তে চাইছেন বারাবনির বিধায়ক তথা পশ্চিম বর্ধমান জেলার সভাপতি বিধান উপাধ্যায়। দিদির আশীর্বাদ পাওয়ার পর থেকেই মাঠে নেমেছেন বিধান উপাধ্যায় এর সেনাপতি অসিত সিং। সায়নী ঘোষ আসার পরে যুব সমাজ যেন আরো চাঙ্গা হয়ে উঠল। এদিনের সভায় হাসিমুখে সায়নী যেমন গোষ্ঠীদ্বন্ধের বিরোধিতা করলেন ঠিক এক ই সুরে বললেন বিধান। তবে বিধানের বক্তব্য ছিল ঝাঁঝালো। চড়া সুরে।

