Online ..Student tried to suicide..lathicharge..Injured girls also কি হচ্ছে ইউনিভার্সিটি তে
বাঁধ ভাঙল কাজী নজরুল ইউনিভার্সিটির ছাত্র ছাত্রীদের আন্দোলন। অনলাইন এ পরীক্ষা নেবার দাবি নিয়ে আন্দোলন শুরু হয়েছিল। পোস্টার বিক্ষোভ গেট ঘেরাও এর মধ্যে ই সীমাবদ্ধ ছিল। তিন দফা আন্দোলনের পর ছাত্র ছাত্রীদের সফলতাও এসেছিল। কর্তৃপক্ষ প্রথমে জানিয়েছিল উচ্চ আধিকারিক যা যা সিদ্ধান্ত দেবেন সেটাই হবে। আন্দোলন জারি ছিল। এর পরেই সরকার থেকে জানানো হয় যে অনলাইনে না অফলাইন হবে তা ঠিক করবে সংশ্লিষ্ট ইউনিভার্সিটি। ছাত্র ছাত্রীদের দাবি..আসানসোলের কাজী নজরুল ইউনিভার্সিটি অনলাইনের কথাই জানায়।
দেখুন…অনলাইনের দাবিতে কি করল ছাত্র ছাত্রীরা
ছাত্র দের দাবিকে সমর্থন তৃণমূল বিধায়ক হরে রাম সিং এর ☝️
হটাৎ ই 24 ঘন্টার মধ্যে আবার তা পাল্টে যায়। জানানো হয় অফলাইন হবে।
আর তাতেই বিক্ষোভ চূড়ান্তে পৌঁছায়। আন্দোলনের মাত্রা তীব্র হতে শুরু করে। শুরু হয় রোড ব্লক। শুধু তাই নয়…অনলাইনের দাবি এবং ছাত্র ছাত্রী মধ্যে ভি সি আসার দাবিতে ইউনিভার্সিটির নির্মিয়মান বিল্ডিংয়ের ছাদে উঠে আত্মহত্যার চেষ্টাও করে এক ছাত্র। দীর্ঘক্ষণ আন্দোলনের পর গতকাল রাত্রে হটাৎ ই আলো নিভে যায় ইউনিভার্সিটি চত্বরে।

তারপরেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ ওঠে। সেই বক্তব্য দেয় ছাত্রী রা। কোনো ছাত্রের হাত কারোর বা কান ফেটে যায়।
দেখুন…শেষ কোথায়
ছাত্র ছাত্রী দের দাবিকে সমর্থন বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালের☝️
সেই ভিডিও অডিও ভাইরাল করে ছাত্র ছাত্রীরাই। শুধু তাই নয়…ক্যামেরাতে ঘটনার কথা জানান ও তারা। ছাত্র ছাত্রীদের রোড ব্লকে আটকে পড়েন জামুড়িয়ার তৃণমূল বিধায়ক হরেরাম সিং। সম্পুর্ন ভাবে সাপোর্ট করেন ছাত্র আন্দোলনকে। সঙ্গে তিনি দায়ী করেন ইউনিভার্সিটি কেও।

প্রসঙ্গত, যতই সময় গড়িয়েছে ততই আন্দোলন যেন তীব্র হয়ে উঠছে বলে মনে করছে শিক্ষা থেকে ওয়াকিবহাল মহল। প্রশ্ন উঠেছে শিক্ষাঙ্গন নিয়ে। সকলের আবেদন..আন্দোলন হতেই পারে, দাবি দাওয়া চাওয়া পাওয়া থাকতেই পারে। তবে আন্দোলন এমন জায়গায় না পৌঁছায় যাতে কোনো জীবন বিপন্ন না হয়। যেন কোনো মায়ের কোল শূন্য না হয়। পরীক্ষা হবেই। তা অনলাইন হোক বা অফলাইন। পড়াশুনা করবেই ছাত্র ছাত্রী রা ।
পড়ুন…কি হচ্ছে ইউনিভার্সিটি তে

এটাই চিরসত্য। তবে হটাৎ করে যেন কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে তার দিকে নজর রাখার দায়িত্ব ছাত্র ছাত্রী, প্রশাসন, ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষের ও।
যদিও ছাত্র ছাত্রী দের দাবি..দীর্ঘ সময় লক ডাউন করোনা, আবার আসানসোলে নির্বাচন। সব মিলিয়ে এই ইউনিভার্সিটির আওতাধীন কলেজ গুলোতে এক প্রকার পড়াশুনা হয় নি। যদি বা হয়েছে তা পি ডি এফ এর মাধ্যমে। অনলাইনে। তাই এই মুহূর্তে অনলাইন ছাড়া কোনো উপায় নেই। যেখানে পুরুলিয়া , বাঁকুড়া, সহ বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি অনলাইন করেছে সেখানে কে এন ইউ কেন সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না ? এর জন্য ভিসি কেই দায়ী করেছে ছাত্র ছাত্রী রা। তার ইগো কে ই প্রধান মনে করা হচ্ছে। যদিও ভিসি এর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। এখন খাদ্য অনশনে ছাত্র ছাত্রী রা। ফলের আশায়। অনলাইনে করতেই হবে..সেই দাবিতে।

