আসানসোলের কাজী নজরুল ইউনিভার্সিটি তে বিক্ষোভ…উত্তেজনা
Update….ভাঙল ইউনিভার্সিটির গেট…গেট ভেঙে ঢুকল ছাত্র ছাত্রীরা…চরম উত্তেজনা শিক্ষাঙ্গনে..
দেখুন ভিডিও
অফলাইন নয়। অনলাইনে নিতে হবে পরীক্ষা। আর সেই দাবিতে ই আসানসোলের কাজী নজরুল ইউনিভার্সিটির গেট আটকে বিক্ষোভ ছাত্র ছাত্রীদের। মঙ্গলবার সকাল থেকেই শুরু হয় বিক্ষোভ। যার জেরে পঠন পাঠন এবং কাজ কর্ম স্তব্ধ হয়ে যায়। রাজনীতির রং ছাড়াই সমস্ত ছাত্র ছাত্রী স্টুডেন্ট প্রটেস্ট এর ব্যানারে আন্দোলনে স্বামী হয়েছে।
ভিডিও দেখুন 👇
তাদের বক্তব্য অনলাইনের দাবিতে এর আগেও তারা আন্দোলন করেছিল। তখন ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল যে সব কলেজের প্রিন্সিপ্যাল কে এই দাবি লিখিত ভাবে জানিয়ে সই করিয়ে নিয়ে আসতে হবে। সেই মত ইউনিভার্সিটির অন্তর্গত 13 টি কলেজের মধ্যে 10 টি কলেজের দেওয়া পিটিশন তারা জমা দেয় ইউনিভার্সিটি তে।তার পরেও হটাৎ অফলাইনে র নোটিস মেলায় আন্দোলনে নামে তারা। তাদের দাবি মানা না হলে তারা এবার মুখ্যমন্ত্রী ও আইনের দ্বারস্থ হবে বলে জানায়।

আরো পড়ুন…মনের মণিকোঠায় কবিগুরু
ছাত্র ছাত্রী দের আরো দাবি দীর্ঘ সময় অনলাইন থাকায় শেষ হয়নি সিলেবাস। তার সাথে সে ভাবে পঠন পাঠন হয়নি। আবার কিছু জায়গায় অনলাইন আর কিছু জায়গায় অফলাইন হলে রেজাল্টে তারতম্য হবে। তাই অফলাইনে সিদ্ধান্ত তারা মানবে না। প্রয়োজনে আরো বড় আন্দোলনে যাবে তারা।
পড়ুন… মনে প্রাণে রবীন্দ্রনাথ…উৎসব মুখর আসানসোল…দল মত নির্বিশেষে
ছেলেবেলায় বাড়ির বয়োজেষ্ঠ্য রা বলতেন গান শিখতে হলে গীতবিতান। কবিতা ? সে তো নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ বা দেবতার গ্রাস। আর কবিতার মঞ্চে বলতেই হবে ” ছুটি ‘ কবিতা। কোনো জায়গা তেই রবীন্দ্রনাথ ছাড়া ভাবাই যেত না। কত না ডিবেট শোনা যেত রবীন্দ্রনাথ আর বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল কে নিয়ে। রবীন্দ্র সংগীত আর নজরুল গীতি র লড়াই শোনা যেত মাঝে মধ্যেই। তবে বিশ্বকবির বিষয়টাই আলাদা।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ। না। উপাধি নিয়ে কথা বলার ধৃষ্টতা নেই। নেই তাকে বিশ্লেষণ করার যোগ্যতা। আলোচনায় কবিগুরু। সেটাই একমাত্র প্রচেষ্টা। বয়স টা কম নয়। 161 বছর। আর সেই জন্ম জয়ন্তী কে নিয়েই উৎসবে মেতেছে আসানসোল। আসানসোলের রবীন্দ্র ভবনে আসানসোল মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের উদ্যোগে সকাল থেকেই শুরু হয়েছে অনুষ্ঠান। প্রভাত ফেরি। যেখানে যোগ দিয়েছে সাধারণ মানুষ থেকে স্কুল ছাত্র ছাত্রী। কোথাও আঁকা হচ্ছে কবিগুরুর ছবি। কোথাও আবার শতাধিক কণ্ঠে রবীন্দ্রনাথ। অনুষ্ঠান চলবে বেশ কয়েকদিন। আসানসোলের রবীন্দ্র ভবনে উপস্থিত ছিলেন এসবসল কর্পোরেশনের মেয়র বিধান উপাধ্যায়, চেয়ারম্যান অমর নাথ চট্টোপাধ্যায়, অভিজিৎ ঘটক সহ বেশ কিছু কাউন্সিলর। গান বাজনা রবীন্দ্রসংগীত এ মুখর আসানসোল। ট্রাফিক সিগন্যালে বাজছে ” আমার বেলা যে যায়”। কবিগুরু যেন হৃদয়ে।
শুধু তাই নয়। আসানসোলের শান্তিনগর এলাকায় বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল দান করলেন হুইল চেয়ার। আজকের দিনে টাকেই ডেসটিনি বললেন তিনি।
একদিকে শতাধিক কণ্ঠে রবীন্দ্রনাথ আবার সাহায্যে কবিগুরু নিয়ে যেন মেতে উঠেছে শিল্পাঞ্চল।
বিশ্বকবি রবীন্দ্র নাথ যেন মানুষের মনে মননে হৃদয়ে।
কালের পরিবর্তন, সময়ের পারাপারের ফলে এই প্রজন্মের শিশুদের থেকে অনেকটা দূরে রবীন্দ্রনাথ। ইংরেজির হাতছানি, হিন্দির কোলাহলে কিছুটা হলেও ম্লান কবিগুরু। তাই কবিগুরু এর ইতিহাস, সৃষ্টি কে বার বার স্মরণ করানোর উদ্দেশ্য এই উদ্যোগ বলেই মবে করছে বুদ্ধিজীবী মহল।

