কলকাতা – রাজ্য জুড়ে সবুজ ঝড়। সবুজ ঝড়ে মাতল রাজ্য। কলকাতা নির্বাচনের পর রাজ্য জুড়ে বিজয় উল্লাস। কোথাও মিষ্টিমুখ। কোথাও স্লোগান। কোথাও বাজি পুড়িয়ে বিজয় উল্লাস পালিত হল। সুদূর কলকাতা থেকে আসানসোল। বাদ গেল না রাজ্যের কোনো জেলাই। জায়গায় জায়গায় তৃণমূলের কর্মী সমর্থক রা বিজয় উল্লাসে ব্যাস্ত। মুখ্যমন্ত্রীর কন্যাশ্রী, রূপশ্রী,দুয়ারে রেসন, লক্ষীর ভান্ডার,স্বাস্থ্য সাথী যে মানুষের হৃদয় স্পর্শ করেছে তা আর একবার প্রমাণিত হল।
জয় বাংলা..আগুন..দুয়ারে শিক্ষিকা
খোদ কালীঘাটে উন্মাদনা, রত্না চট্টোপাধ্যায়ের জয়, সহ দিকে দিকে তৃণমূল প্রার্থীদের জয়ের ঘটনায় আবার ও উন্নয়নের সপ্ন দেখছে রাজ্যবাসী। শুধু তাই নয়..বিভিন্ন জায়গায় জেতার মার্জিন ও যথেষ্ট ই। রাজ্যের উন্নয়ন, সাথে কলকাতার উন্নয়ন কে হাতিয়ার করেই তৃণমূল প্রার্থী দের এই জয় বলে মনে করছে রাজ্যবাসী। জয় বাংলা
খবরের সাথে ভিডিও দেখুন
প্রসঙ্গত, কলকাতা নির্বাচন নিয়ে কটাক্ষ করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। তাদের কথায় ভোটের পরিবেশ ছিল ই না। সকাল থেকেই ছাপ্পা র অভিযোগ তুলেছিল তারা। তবে পায়ের জমি না থাকায় এমন অভিযোগ স্বাভাবিক বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
মঙ্গলবার সকাল থেকেই উন্নয়নের প্রতিফলন দেখল রাজ্যবাসী। দিকে দিকে সবুজ আবির, নাচ,স্লোগান, ভিক্টরী সাইন আগামী দিনে বিরোধীদের কাছে কিসের পূর্বাভাস, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
নৈহাটি
হটাৎ ই বাসে আগুন। দাউ দাউ করে জ্বলতে দেখা গেল আস্ত একটা বাস কে। নিমেষের মধ্যে পুড়ে ছাই। যদিও বাসে কোনো যাত্রী ছিল নক। ছিলেন চালক আর খালাসি। পরিস্থিতি বিপদজনক বুঝেই দুজনে বাস থেকে নেমে যান। ফলে হতাহতের কোনো ঘটনার খবর নেই। তবে প্রাথমিক ভাবে জানা যায় শর্ট সার্কিটের কারণেই এই ঘটনা। এলাকার লোকের কথায়…হটাৎ বাসে আগুন দেখে আতঙ্কিত সকলেই। বাসটি নৈহাটি থেকে ব্যারাকপুর এর দিকে যাচ্ছিল বলে খবর।
জলপাইগুড়ি
সরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে ভর্তীর জন্য নজিরবিহীন উদ্যোগ শিক্ষক শিক্ষিকাদের। সরকার পোষিত ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে বেসরকারি স্কুল গুলির মতো একই ধাঁচে নিখরচায় পড়াশোনা করা যায়। তাই বেসরকারি স্কুল নয় এবার সরকারি স্কুলে ভর্তির আবেদন জানিয়ে রাস্তায় নেমে মাইকিং করলেন জলপাইগুড়ি নেহেরুন্নেছা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক শিক্ষিকারা।
শুধু হাটে বাজারে গিয়ে দায়সারা ভাবে মাইকিং করে প্রচার শেষ করা নয় উলটে দায়বদ্ধ ভাবে বস্তি এলাকার ছোট বাচ্চাদের ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে ভর্তীর আবেদন নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সচেতনতা প্রচার করলেন তারা। শিক্ষক শিক্ষিকাদের এহেন নজিরবিহীন উদ্যোগে অভিভূত অভিভাবকেরা।
গত এক দশকের বেশি সময় ধরে সরকারি বিদ্যালয় গুলির প্রতি ধীরে ধীরে মানুষের আস্থা হারিয়ে যেতে বসেছিল। দেখা যাচ্ছিলো বেশিরভাগ অভিভাবক তাদের সন্তানকে বেসরকারি স্কুলে ভর্তী করাচ্ছিলেন।
তার উপর গত দু বছর ধরে করোনার প্রভাবে স্কুল গুলি বন্দ ছিলো। সম্প্রতি নবম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেনী পর্যন্ত স্কুল খুললেও প্রাথমিক স্কুল একেবারে বন্দ রয়েছে। তাই নতুন প্রজন্মকে স্কুলমুখী করতে অভিনব উদ্যোগ নিলো শিক্ষকেরা।
খবরের ভিডিও দেখুন
প্রাক প্রাথমিক ক্লাস থেকে শিশুদের ভর্তি জন্য এবার পথে নেমে হাটে বাজারে গিয়ে নিজেরা মাইকিং করে ও বিভিন্ন বস্তী এলাকায় গিয়ে শিশুদের অভিভাবকদের কাছে ভর্তির আবেদন জানালেন মেহুরনেসা প্রাথমিক ইংরেজি মাধ্যমের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষিকারা। শিক্ষক শিক্ষিকাদের এহেন আবেদনে অভিভাবকদের সারা দিতেও দেখা গেছে।
বিখ্যাত স্যামসেল কারখানার রানীগঞ্জের কাছে মঙ্গলপুর ছাই, তাপস বাবুর হুঙ্কার
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠন সুত্রে জানা গেছে গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে জলপাইগুড়ি জেলা জুড়ে প্রাথমিক স্কুলে ভর্তীর সংখ্যা কিছুটা হলেও বেড়েছে। গত ১৯ সালে জেলার প্রাথমিক স্কুল গুলিতে ছাত্র ভর্তীর মোট সংখ্যা ছিল প্রায় ১লক্ষ ৩ হাজার মতো। ২০ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৭ হাজার। তবে মা মাটি মানুষের সরকারে দুয়ারে রেশন,দুয়ারে স্বাস্থ্যের মত দুয়ারে শিক্ষক শিক্ষিকা যথেষ্ট প্রশংসা কুড়িয়েছে বলে খবর।

