হাওড়া – খাবার তো খাচ্ছেন। খাচ্ছেন ফাস্ট ফুড ও। আবার এখনকার দিনে প্যাকেট মশলায় মন মজেছে বাড়ির গৃহিণীদের ও । মশলা বাটার নিয়ম প্রায় উঠে গেছে বললেই চলে। ভোজ বাড়ি বা অনুষ্ঠানে ও চলছে প্যাকেট মশলা। কিন্তু আপনার শরীরে কি যাচ্ছে ? কি খাচ্ছেন ? জানেন আপনি ? আসুন একবার দেখে নেওয়া যাক হাওড়ার ডোমজুর এলাকায় কি ভাবে তৈরি হচ্ছে মশলার প্যাকেট? বিশালাকার কারখানা। যেখানে তৈরি হচ্ছে মশলা। মেশানো হচ্ছে রং। রয়েছে কাঠের গুঁড়ো। চালগুড়ি ও আছে। আর তা মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে মশলা। যা ছড়িয়ে পড়ছে হাওড়া বা কলকাতার বাজারে।
সব খবরের ভিডিও দেখুন 👇
মশলায় কাঠের গুড়ি
এনফোর্সমেন্ট বিভাগের এক অভিযানে এমন ই এক ছবি ধরা পড়ল আমাদের ক্যামেরায়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে রঙের প্যাকেট। কাঠ গুঁড়ির প্যাকেট এবং চালগুড়ি। যদিও মালিক কে খুঁজে পাওয়া যায় নি। তবে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এই অভিযানে কিছুটা সাবধান হবে সাধারণ মানুষ বলে আশা প্রশাসনের।
প্রসঙ্গত, উক্ত কারখানায় তৈরি সামগ্রী পৌঁছে গেছে কলকাতায়। হয়ত পৌঁছে গেছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়। হয়ত পৌঁছে যাচ্ছে আমার আপনার বাড়িতে। না বুঝেই হয়ত চলে যাচ্ছে আপনার শরীরে। হচ্ছে শরীর খারাপ। অথচ ব্যাস্ত সময়ে মানুষ নিরুপায় হয়ে ব্যবহার করছে সেই সব প্যাকেট ই। বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠান বাড়িতেও খেয়ে ফেলছেন উক্ত মশলা দিয়ে তৈরি খাবার। সাবধান! এই মুহূর্তে কিছু না হলেও ভবিষ্যতে হতে পারে অনেক কিছু ই।
কি খাচ্ছেন ? পরকীয়া ..দায়ী কে ? করোনা মুক্ত
শিল্পাঞ্চল
প্রেম ভালোবাসা কি ইতিহাস ? পরকীয়ার অনুমতিতে কি অশান্তি? নাকি পরকীয়ার নামে কোথাও ব্ল্যাকমেলের প্রচেষ্টা ? অর্থ উপার্জনের রাস্তা !
রইল প্রশ্ন….উত্তর আপনাদের
আচ্ছা ধর্ষণের অপবাদ দেওয়া কি আজকের দিনে এত ই সহজ ? ভাবতে পারেন এক মহিলা রাস্তায় দাঁড়িয়ে চিৎকার করছেন ? চিৎকার করে বলছেন যে ” তাকে রেপ করা হয়েছে ? ” আবার রাস্তায় চিৎকার করতে করতে আর এক মহিলা বলছেন যে তার “স্বামীর সাথে ওই মেয়েটা দিনের পর দিন রাত কাটাচ্ছেন ” ?
কেউ রাস্তায় ছুটতে ছুটতে মারামারি করছেন প্রকাশ্য দিবালোকে আবার কেউ জনবহুল এলাকায় সন্ধ্যে বেলায় চুলোচুলি করছেন!
আরো খবর…করোনা মুক্ত..পড়ুন
ছবি ধরা পড়ছে ক্যামেরায়। প্রচারের আলোয় আসছেন। তাও ঘটনা ঘটেই চলেছে শিল্পাঞ্চলে। কোন জায়গায় যেতে বসেছে সমাজ ? কোথায় লজ্জা? কোথায় শালীনতা?
শিল্পাঞ্চলের আনাচে কানাচে এখন একটাই প্রশ্ন। পরকীয়া বা পরকীয়ার অভিযোগ। সাধারণ বাড়ির মহিলারা রাস্তায়। কোথাও মারামারি আবার কোথাও চুলোচুলি। আমরা কাউকে ছোট করার জন্য এই খবর করছি না। করছি সমাজের অবক্ষয়তা কে আটকানোর জন্য।
দেখছে সমাজ। দেখছে ছেলে মেয়েরা। দেখছে আমজনতা। প্রচুর প্রশ্ন আসছে। আসছে মতামত। বেশি সংখ্যক মানুষের মতে বাড়ির সমস্যা বাড়িতে মেটানো ই শ্রেয়।
আধুনিকতার ছোয়ায় কোথায় এর সমাধান ! আদৌ কি বেঁচে থাকবে এই সংসার ? নাকি পরকীয়া নামক শব্দের আড়ালে মুখ লুকাবে ভালোবাসা ? প্রশ্ন আমাদের…উত্তর দেবেন আপনারা….
বাঁকুড়া
করোনা রোগীর চাপ নেই বন্ধ হচ্ছে জেলার একমাত্র কোভিড হাসপাতাল। রূপান্তরিত হচ্ছে সাধারন হাসপাতালে।
বাঁকুড়া জেলার একমাত্র কোভিড হাসপাতাল ছিল ওন্দা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। শুধু বাঁকুড়া জেলা নয় পুরুলিয়া,,মেদিনীপুর, বর্ধমান জেলার নির্ভরযোগ্য ছিল এই হাসপাতাল। আপাতত এই কোভিড হাসপাতালে কোভিড রোগী ভর্তি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে জেলা স্বাস্থ্য ও জেলা প্রশাসনের নির্দেশে। বলা যেতে পারে জেলার একমাত্র কোভিড হাসপাতালটি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে এবং এই হাসপাতালটিকে আগের সাধারন হাসপাতালে ফিরিয়ে নিয়ে এসে সাধারন বিভিন্ন বিভাগের ইনডোর আউটডোর পরিষেবা চালু হচ্ছে।
করোনার বাড়বাড়ন্তে ওন্দা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালটিকে সাধারন হাসপাতাল থেকে পরিবর্তন করা হয়েছিল কোভিড হাসপাতালে। ১ এপ্রিল ২০২০ থেকে পুরো হাসপাতালে শুরু হয়ে যায় কোভিড রোগী ভর্তির জন্য প্রস্তুতি। পরিকাঠামো সাজিয়ে তৈরি হয়ে যায় সিসিইউ সহ ২৫০ এর বেশী কোভিড রোগী ভর্তির বেড। মে ২০২০ থেকে শুরু হয়ে যায় কোভিড রোগী ভর্তি ও চিকিতসা।
শুধু বাঁকুড়া জেলা নয় আশেপাশের জেলাগুলি থেকেও কোভিড পজিটিভ রোগী ভর্তি শুরু হয় এই হাসপাতালে। ১৮ মাস ধরে এই হাসপাতালের চিকিতসক, নার্স,কর্মীরা নিজেদের জীবনের ঝুকি নিয়ে কোভিড আক্রান্ত রোগীদের চিকিতসা পরিষেবা দিয়ে গেছেন। হাসপাতাল সুত্রে জানা গেছে এই হাসপাতালে দীর্ঘ করোনা পিরিয়ডে ৫ হাজারের বেশী করোনা রোগীর চিকিতসা হয়েছে।
পরকীয়া : দায়ী কে? পড়ুন
মারা গিয়েছে সাড়ে তিনশোর অধিক রোগী। ধীরে ধীরে নিউ নর্মালে করোনা রোগী ভর্তির চাপ কমে এই হাসপাতালে। অক্টোবর মাস থেকেই এই হাসপাতালে রোগী ভর্তি একেবারে কমে আসে। নভেম্বরে আরো কমে যায় এবং ডিসেম্বরে শূন্য হয়ে যায় হাসপাতালে কোভিড রোগী ভর্তি। কোভিড রোগীর চাপ নেই ভর্তিও তেমন নেই তাই এতো বড় মাপের একটা পরিকাঠামোকে শুধু কোভিডের জন্য না রেখে কোভিড রোগী ভর্তি বন্ধ করে সাধারন চিকিতসার ইনডোর ও আউটডোর বিভাগ চালু করতে চলেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসন।
সরকারী নির্দেশিকায় বলা হয়েছে যেহেতু কোভিড রোগীর চাপ নেই তাই হাসপাতালটিকে আগের মতো সাধারন বিভাগ চালু করে চিকিতসা পরিষেবা শুরু করার কথা বলা হয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে আগামী ২০ ডিসেম্বর থেকে করোনা রোগী ভর্তি বন্ধ হচ্ছে এই হাসপাতালে।
প্রশ্ন আমাদের…উত্তর আপনাদের
নির্দেশিকায় এটাও বলা আছে আগামী দিনে কোভিড পরিস্থিতি জটিল হলে রোগীর চাপ বাড়লে ৩ দিনের মধ্যে এই হাসপাতাল ফের কোভিড হাসপাতালে পরিনত করা হবে। হাসপাতাল সুত্রে জানা গেছে নির্দেশিকা আসার পর থেকে শুরু হয়েছে সাধারন রোগী ভর্তির প্রস্তুতি। এই হাসপাতালে পুনরায় সাধারন বিভিন্ন চিকিতসা শুরু হওয়াতে খুশি এলাকার মানুষ।

