SUVENDU warns 2 TMC MLA !এবার কাদের নাম শুভেন্দুর মুখে !! শাসক দলের নেতা হলেই প্রভাবশালী !!!
পাঠকদের অবগত করার জন্য…আমরা এক পক্ষের খবর করি না। যে সমস্ত নেতার নামে হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন শুভেন্দু সেই একজন নেতার এসিস্টেন্ট কে ফোন করে এবং ওয়াটস আপ এ লেখার পরেও উক্ত নেতৃত্বের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায় নি।
শাসক দলের নেতা হলেই প্রভাবশালী। আর এজেন্সির কাছে জামিন না হবার অন্যতম হাতিয়ার এই প্রভাবশালী তকমা ! তা হলে প্রভাবশালী তকমা সরাতে কি করতে হবে ? প্রশ্নের ছলে অনুব্রত এর আইনজীবীর কথায় উঠে এল এক ইঙ্গিত। শাসক দলের থেকে পরিবর্তন বা অন্য কোনো দিকে যেতে হবে? নাকি রাজনীতি থেকে সন্যাস নিতে হবে ? কি বলতে চাইছে সিবিআই ? এমন ই প্রশ্ন ক্যামেরার সামনে ছুড়ে দিলেন বীরভূমের বেতাজ বাদশা অনুব্রত মন্ডলের আইনজীবী।
আইন কি করবে, মহামান্য আদালত বা বিচারক কি রায় দেবেন সেটা সম্পুর্ন আইনি বিষয়। সে বিষয়ে আমরা যাচ্ছি না।
পড়ুন কি বলছেন অনুব্রত মন্ডলের আইনজীবী
তবে..অনুব্রত মন্ডলের আইনজীবীর অভিযোগ যে বার বার তার মক্কেলের ক্ষেত্রে 14 দিনের জেল হেফাজত হচ্ছে। এবার ও তাই হয়েছে। আর সেখানেই প্রভাবশালীর প্রশ্ন। এ ভাবে তো প্রভাবশালী সরানো যায় না। সিবিআই তাদের চার্জশিট এ রুলিং পার্টি এবং দলের নামটাও লিখে প্রভাবশালীর ব্যাখ্যা দিয়েছেন। অনেকসময় রুলিং পার্টি বা অপজিসন পার্টির কথা লেখা হয় কিন্তু একদম দলের নাম করে লেখা প্রথম দেখা গেল। সে যাই হোক। সেটা সিবিআই এর ব্যাপার। তবে এই প্রভাবশালী তকমা সরাতে হলে পরিবর্তন বা অন্য কোনো দিকে যেতে হবে। অথবা রাজনীতি থেকে সন্যাস নিতে হবে। কি বলতে চাইছে সিবিআই।
প্রসঙ্গত, শনিবার সকাল থেকেই আসানসোল আদালতে ছিল হেভিওয়েট দের ভিড়। অনুব্রত মন্ডল, রাজু সাহানি বা সঞ্জয় সিং। সবার ই 14 দিনের জেল হেফাজত হয়েছে। যে কদিনের জেল হেফাজত হোক না কেন সেটা বিচারাধীন বিষয়।
দেখুন…কাকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর
কিন্তু আইনজীবীর কথা অনুযায়ী পরিবর্তন বা অন্য কোনদিকে যাওয়া বা রাজনীতি থেকে সন্যাসের প্রশ্ন অথবা আইনজীবীর কথায় সিবিআই এর চার্জশিটে রুলিং পার্টির তথা দলের নাম উল্লেখ করে প্রভাবশালীর তকমা , বড় প্রশ্ন চিন্হ তৈরি করছে বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা। যদিও সিবিআই এর পক্ষ থেকে আরো তদন্তের কথা বলা হয়েছে।
শুধু তাই নয়, মাত্র কয়েকদিন আগে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তৃণমূলের দুই কাউন্সিলর কে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন..অবিলম্বে তারা এ সব কাজ বন্ধ না করলে অনুব্রত এর মত অবস্থা হবে। যে দুজনের নাম করেছেন তারা দুজনেই তৃণমূলের বিধায়ক এবং যথেষ্ট প্রভাবশালী। প্রশ্ন উঠেছে..যদি সে রকম কোনো পরিস্থিতি দাঁড়ায় তাহলে তাদের ও কি প্রভাবশালী তকমা পেতে উক্ত রাস্তার কথা চিন্তা ভাবনা করতে হবে ?
এমনটাই প্রশ্ন ঘুরে বেড়াচ্ছে শিল্পাঞ্চলের আনাচে কানাচে।
পড়ুন..সুকান্ত ই বা কি বলছেন
যদিও বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন…অনুব্রত এর আইনজীবী অনুব্রত কে জামিন পাওয়ানোর জন্য এ সব বলছেন। তবে ওই পচা আলু কে নেওয়া যাবে না।

