Special : where they are ? তারা গেলেন কোথায় ?
বিপদের দিনগুলিতে কারা পাশে ছিল ? কারা ছিল না ?যখন সম্মান বাঁচানোর লড়াই ঘন্টার পর ঘন্টা মানসিক চাপে বিধস্ত তখন কারা দূর থেকে দেখছিলেন ? যখন প্রশ্নবানে জর্জরিত সকাল থেকে সন্ধ্যা …তখন কারা সমর্থন জুগিয়েছিলেন ? কারা সহানুভূতি দেখিয়েছিলেন ? আর যখন সমস্যা দূর হতে শুরু হল তখন কারাই বা আপন হবার চেষ্টায় লেগে পড়লেন ? কারা সুবিধা নিতেন, কারা সুবিধা নিচ্ছেন ? তারা বিপদের সময় তারা কোথায় থাকছেন ?
সেই নিয়েই আমাদের বিশেষ প্রতিবেদন
রাজনীতি সমাজনীতি অর্থনীতি বা দুর্নীতি । নিত্যদিন এই ছবি দেখা যায় টেলিভিশনের পর্দায়। অথবা খবরের কাগজে। কিন্তু আজ যে ছবি আসানসোলের হাসপাতাল রোডে বা হাসপাতাল চত্বরে দেখা গেল তা নিশ্চই শিল্পাঞ্চলের মানুষ কে অনেক কিছু মনে করিয়ে দেবে।
মনে করিয়ে দেবে আসানসোলের রাজপথে এজেন্সির ভিড়। প্রচুর পুলিশ। প্রচুর সংবাদ মাধ্যম। প্রচুর প্রশ্ন। গুরুত্ব পূর্ণ ব্যক্তির নামে মিথ্যা অপবাদ দিতে এসে ঘটল কত ঘটনা। পাওয়া গেল না কিছু ই। উক্ত সম্ভ্রান্ত পরিবারের মহিলা লড়াই করলেন একাই। প্রমান ও করলেন অর্থাৎ ক্যামেরায় বক্তব্য দিলেন যে যারা এসেছিলেন তারা কিছু ই পান নি। খালি হাতেই ফিরে গেছেন। সেদিন দেখা গিয়েছিল তাঁর দুর্দিনে কারা ছিল। সেদিন হয়ত চোখের জল কান্না হয়ে আসে নি। কিন্তু ফেসবুকে সম্পুর্ন বেদনা উন্মুক্ত করেছিলেন তিনি।
বৃহস্পতিবার প্রায় সেই এক ই ছবি ধরা পড়ল ।
দেখুন ভিডিও 👇
চোখের জল থামার নাম নিচ্ছিল না।
এক সময়ের দাপুটে জিতেন্দ্র অসুস্থ। প্রাক্তন মেয়র এবং প্রাক্তন বিধায়ক কে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে আসানসোল জেলা হাসপাতালে থেকে বর্ধমানে। বুকে ব্যথা সহ আরো হয়ত কারণে শরীরে সমস্যা হচ্ছে। একবার জড়িয়ে ধরার চেষ্টা করছেন চৈতালি তেওয়ারী। রাস্তায় ছুটে ছুটে যাচ্ছে মেয়ে পল্লবী।
আমরা কোনো রাজনীতির কথা বলছি না। অথবা বলছি না কোনো আইনের বিষয়। কারণ আইন আইনের মত ই চলে । আদালত এ বিচারক ই শ্রেষ্ঠ ।আবার চিকিৎসা চিকিৎসকের নির্দেশে ই চলে।
পড়ুন…শিল্পাঞ্চল বাসীর প্রশ্ন..কি আলোচনা হচ্ছে আনাচে কানাচে !!
কিন্তু প্রশ্ন এক জায়গায়। এবং শিল্পাঞ্চল বাসীর আলোচনায় উঠে আসে সেই প্রশ্ন। যারা তার সমর্থক, যারা তার ডাইনে বায়ে অথবা যারা তার কাছে অনেক অনেক উপকার নিয়েছে তারা কোথায় ?
না , এ প্রশ্ন শুধু জিতেন্দ্র এর ক্ষেত্রে ই নয়। এ প্রশ্ন মাত্র কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া ঘটনা তেও। সেদিন ও যখন এজেন্সির ভিড় , ব্যাপক উত্তেজনা, প্রায় একাই বলা যেতে পারে ..একজন মহিলা ফেস করছেন তখন ও সেই আজকের মত পরিস্থিতি ই ছিল। তার স্বামীর আসে পাশে থাকা মানুষজন গুলো যেন হটাৎ দূরে হয়ে গেছিল। সুবিধা ভোগী মানুষ গুলো প্রায় আট নয় ঘন্টার জন্য অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিল। এমনটাই আলোচনা শিল্পাঞ্চলের আনাচে কানাচে।
আমাদের প্রতিবেদন সেই নিয়েই।
ঘটে যাওয়া আসানসোলের বুকে বড় বড় ঘটনা প্রমান করে..চরম অসুবিধায় বাড়ির মানুষগুলো ই সঙ্গী হয়। জনপ্রিয়তার ভিড়ে মিশে থাকা মানুষগুলো শুধু প্রয়োজনে অর্থাৎ নিজেদের প্রয়োজনে উপস্থিত হয়। শুধু তাই নয়, আধুনিক সমাজে ছবি তোলাতেও ব্যস্ত থাকে তারা।
আমরা সামাজিক..আমরা মানবিক..আমরা পরোপকারী..আমরা বন্ধু..আমরা অন্যের কাজে যাই.. আমরা অন্যের পাশে থাকি..অন্যরা আমাদের পাশে থাকুক। এই বার্তাই ছড়িয়ে পড়ুক শিল্পাঞ্চলে। এমনটাই মনে করছে শিল্পাঞ্চল বাসী।

