red light area meaning..who take advantage from this labourer কারা এই শ্রমের ও ভাগ নেয় !!
এবার দালাল রাজের অভিযোগ উঠল আসানসোলের দিশা জনকল্যাণ কেন্দ্র এলাকায়। শরীর দিয়ে যারা ব্যবসা করেন তাদের আয়েও দালাল রাজ।
শুনলে অবাক হতে হয়। অভিযোগ শাসক দলের নেতা থেকে শুরু করে দুর্বার সমিতির সদস্যা সহ যৌন কর্মীদের ও।
যারা শরীর দিয়ে ব্যবসা করেন তাদের একজন জানান…দালাল রাজের ব্যাপক প্রভাব পড়েছে আসানসোলের নিয়ামতপুর থানার অন্তর্গত দিশা জনকল্যাণ কেন্দ্রে। যত টা আয় শরীর দিয়ে পাওয়ার কথা হয় না তত টা আয়। অনেকেই আছে যারা এই উপার্জনের মাধ্যমে সংসার চালায়। ছেলে মেয়েদের পড়াশুনা করান। কিন্তু দালাল দের জন্য তার কাজ পান না। শুধু তাই নয়..গ্রাহক দের বিল বাড়িয়ে দেওয়া হয়..এক গ্রাহকের সঙ্গে অনেক দালাল …যার ফলে গ্রাহক রা ভয় পান। এখানেই থেমে নেই দালাল রা। যে সব দালাল এর সঙ্গে দোকানিদের ভালো সম্পর্ক তারাই গ্রাহক পাঠান মুষ্টিমেয় কিছু ব্যবসায়ী দের কাছে। যে কারণে সবাই কাজ পায় না।
পড়ুন…কি ভাবে চলছে দালাল রাজ
ঘটনা স্বীকার করে নেন এলাকার তৃণমূল নেতা পূর্ণেন্দু রায়। তিনি এও বলেন …এক সময় উক্ত এলাকায় দু জন করে পুলিশ পোস্টিং ছিল। তখন দালাল রাজের এতটা রমরমা ছিল না। কিন্তু বছর দুয়েক ধরে পুলিশ তুলে নেবার কারণে দালাল রাজ বৃদ্ধি পেয়েছে। অশান্তির জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে পুলিশ প্রশাসন যদি চায় তাহলে নিমেষেই বন্ধ হতে পারে দালাল রাজ। উচ্চ পুলিশ কর্তাদের অনুরোধ জানানোর কথাও বলেন তিনি।
এলাকার তৃণমূল কাউন্সিলরের মত ও এক ই রকম। তিনি বলেন…সকালে কাউকে দেখা না গেলেও সন্ধ্যের পর হঠাৎ প্রচুর যুবক চলে আসে। ঝাড়খন্ড নম্বরের মোটর বাইকের উৎপাত শুরু হয়ে যায়। এই দালাল রাজের কারণে ব্যবসায়ী রা তাদের প্রাপ্য টাকাও পায় না। প্রশাসন কে কঠোর হতে হবে। তার জন্য সব রকমের সাহায্য করতে রাজি বলে জানিয়েছেন কাউন্সিলর জাকির হোসেন।
তবে বিষয়টি কে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন দুর্বার সমিতি ও। তাদের এক সদস্যা বলেন..ঘটনা ঘটছে। টাকার জন্য গ্রাহক কে ঘরে আটকে রাখা হচ্ছে। খবর পেলে দুর্বার ছুটে যায়। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে গ্রাহকের বিল বাড়িয়ে দেওয়া হয়। দুর্বার খবর পেলে তার ও ব্যবস্থা করে। আর না পারলে পুলিশ ডাকা হয়।
শুনুন ..কি বলছেন যৌনকর্মীরা কি বা বলছেন শাসক দলের প্রতিনিধিরা👆
তবে এলাকার তৃণমূল নেতা বলেন..বর্তমান পুলিশ আধিকারিক মাঝে মধ্যেই ব্যবস্থা নিচ্ছেন। কিন্তু আরো কঠিন হতে হবে।
যদিও ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। শরীর বিক্রির টাকাতেও ভাগ দিতে হবে অথবা দালাল রাজের পাল্লায় পড়তে হবে ? এমনটাই প্রশ্ন উঠেছে যৌন ব্যবসায়ী দের মধ্যে।
তবে শাসক দলের তৎপরতা এবং পুলিশ কে তৎপর হতে অনুরোধ করার মধ্য দিয়ে আদৌ কি বন্ধ হবে দালাল রাজ। ব্যবসায়ী রা কি আদৌ পাবে তাদের ন্যায্য প্রাপ্য নাকি দালাল রাই উপভোগ করবে সব টাই ? প্রশ্ন অনেক …উত্তরের অপেক্ষায় তারা …

