Raid in asansol ..আসানসোলে হানা মেয়রের ..খোদ বেঙ্গল সৃষ্টির দিকে অবৈধ দখলের অভিযোগ..নদী হারাচ্ছে গতিপথ..রেয়াত হবে না কারোর ই
আসানসোলের গাড়ুই নদী পরিদর্শনে মেয়র এর বিস্ফোরক মন্তব্য… দখল হয়ে গেছে নদী বক্ষ…মুক্ত করা হবে…নেওয়া হবে ব্যবস্থা
ভিডিও দেখুন 👇
মেয়রের শপথ নেবার আট দিনের মধ্যে আসানসোলে সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ নিলেন মেয়র বিধান উপাধ্যায়। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি মেয়র অভিজিৎ ঘটক, ওয়াসিমুল হক, চেয়ারম্যান অমর নাথ চ্যাটার্জি সহ কর্পোরেসনের টিম।
শুরুতেই আসানসোলের বিশাল বিস্তৃত বহুতল এলাকায় হানা দেন। ঘুরে দেখেন এলাকা। তারপর আসানসোলের কল্যাণপুর, রেলপার এলাকা পরিদর্শন করেন।
প্রসঙ্গত প্রতিবার উক্ত নদী সংস্কার না হবার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই প্লাবিত হয় আসানসোল। আসানসোলের অন্যতম নদী গাড়ুই নদীর জল উপচে ঢুকে পরে এলাকায়। ডুবে যায় মানুষের ঘর বাড়ি।
বহুবার বহু টাকা অনুমোদিত হবার পরেও হয়নি সংস্কার। এবারের নির্বাচনে সব দলের প্রতিশ্রুতি ছিল গাড়ুই নদী সংস্কার। তাই এবার সংস্কার করাটা অবশ্য ই মেয়রের কাছে চ্যালেঞ্জ।
পড়ুন..নতুন মেয়রের কাছে চ্যালেঞ্জ..গাড়ুই নদী সংস্কার
যদিও মেয়র বিধান উপাধ্যায় ও ডেপুটি মেয়র অভিজিৎ ঘটক সরাসরি দখলের কথা বলেন। ও দখল মুক্ত করার ও ব্যবস্থা নেবার কথা জানান।
প্রসঙ্গত এই এক ই সমস্যা বার বার উঠে এসেছে আসানসোল মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের আনাচে কানাচে। বাম সরকারের আমলে প্রচেষ্টার কথা শোনা গিয়েছিল। শোনা গিয়েছিল অর্থ বরাদ্দের কথা। আবার বিগত তৃণমূলের বোর্ডে ও একই প্রচেষ্টার কথা শোনা যায়। অর্থ বরাদ্দ এর কথা ও শোনা গিয়েছিল। কাজের কাজ কিছু যে হয়নি তার প্রমান বিগত বর্ষা। এ কথা আমরা বলছি না। বলছেন রাজনৈতিক নেতা থেকে আম জনতা। যে কারণে নির্বাচনের আগে সব দলের ইশতেহারে গাড়ুই নদী সংস্কারের কথা উঠে আসে।
তাকে লক্ষ্য রেখেই মেয়র শপথ নেবার পর বড় সড় পদক্ষেপ নিলেন আসানসোলের মেয়র বিধান উপাধ্যায়।
আসানসোলের বেঙ্গল সৃষ্টি আবাসন, কল্যাণপুর সেতু,ইকবাল সেতু সহ বেশ কিছু জায়গা পরিদর্শন করলেন। দেখলেন গাড়ুই নদীর দুর্দশা।
দৃপ্তকণ্ঠে মেয়র বলেন…দখল হয়ে গেছে নদীর জায়গা। অবৈধ ভাবে দখল হয়েছে। যার ফলে নদী ছোট হয়ে গেছে। ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দেখুন…কি ভাবে দখল..আদৌ মুক্ত হবে কি
অপর দিকে ডেপুটি মেয়র অভিজিৎ ঘটক বলেন খোদ যেখানে পরিদর্শন করেছেন সেই বেঙ্গল সৃষ্টি আবাসন দখল করে নিয়েছে নদীর জায়গা। সূত্রের খবর প্রায় 2 কিলোমিটার নদী রয়েছে সেখানে। যা প্রায় বন্ধ। ডেপুটি মেয়র বলেন ..দখল মুক্ত করা হবেই।
বস্তুত..আসানসোল শিল্পাঞ্চল অনেকটাই গাড়ুই নদীর ওপর নির্ভরশীল। জলের যোগান থেকে নদীর ব্যবহারের আসানসোলের মানুষের অন্যতম গাড়ুই নদী। অথচ প্রকাশ্য দিবালোকে সেই নদীর জায়গা দখল করে হাই রাইস বিল্ডিং, আবাসন, কারখানা, বাড়ি তৈরি করার ফলে তৈরি হচ্ছে বন্যা পরিস্থিতি।
তবে বার বার বিফল হবার পর নতুন মেয়র এর প্রচেষ্টা কে এক ধরণের চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলে।

