Online to offline মাধ্যমিক ..ভয় মিশ্রিত খুশি অভিভাবকদের
দীর্ঘ 2 বছর পর মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসল ছাত্র ছাত্রীরা। শিল্পাঞ্চল সহ রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে পরিবেশ টা যেন একদম নতুন। করোনা লক ডাউনের জেরে গৃহবন্দি পড়ুয়ারা পরীক্ষায় বসল সোমবার। মাধ্যমিকের প্রথম দিনে স্কুলে স্কুলে সম্বর্ধনা সমারোহ। কোথাও মহানাগরিক তো কোথাও রামকৃষ্ণ মিশনের স্বামীজী তো কোথাও প্রশাসন। হাতে জলের বোতল ফুল, মাস্ক,পেন দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন ছাত্র ছাত্রী দের।
পরীক্ষা তো শুরু হল। কিন্তু মন ভালো নেই ছাত্র ছাত্রী থেকে শুরু করে অভিভাবক দের।
অনলাইন আর অফলাইন। কোনটা ভালো কোনটা মন্দ খুলে না বললেও চিন্তায় আছে সকলেই। এমন ই বার্তা স্কুলে স্কুলে। অভিভাবকদের কথায়…কেউ বলছেন বিগত দুবছর স্কুলের মুখ দেখেনি ছাত্র ছাত্রী রা । বাড়িতে সে ভাবে পড়াশুনা হয়নি। আর আজকালকার ছেলে মেয়েরা তো মোবাইল এই ব্যাস্ত। তাই পরীক্ষা শুরু হয়েছে ভালো কথা। তবে অফলাইনে টেনশনে আছে অভিভাবকরাও।
পড়ুন…কি দিলেন মেয়র
অপর এক অভিভাবক জানান…অফলাইন তো অবশ্য ই ভালো। তবে দীর্ঘদিন অনলাইন এ পড়াশুনা করে পরীক্ষার নিয়ম অনুযায়ী তিন ঘন্টা এক নাগাড়ে বসে লেখার অভ্যাস প্রায় নষ্ট ই হয়ে গেছে।
দেখুন ভিডিও 👇
ফলে এই মুহূর্তে অফলাইন পরীক্ষায় অসুবিধা তো হবে এটাই স্বাভাবিক।
যদিও আসানসোলের পাঁচগাছিয়া স্কুলে আসানসোলের মেয়র তথা বারাবনি এর বিধায়ক বিধান উপাধ্যায় বলেন…পরীক্ষা শুরু হয়েছে। খুশির খবর। বাড়িতে বসে থাকা ছাত্র ছাত্রীরা স্কুলের মুখ দেখছে। শিক্ষার অগ্রগতি হোক। তার সঙ্গে পরীক্ষার্থীদের জলের বোতল পেন মাস্ক দিয়ে শুভেচ্ছা ও জানান তিনি।
শুধু তাই নয়…বারাবনি যুব শক্তির পক্ষ থেকে সম্বর্ধনা ও জানানো হয় পরীক্ষার্থীদের।
পিছিয়ে নেই পুলিশ প্রশাসন ও। একদিকে যেমন নিরাপত্তার সুনিশ্চিত করার দিকে লক্ষ্য রেখেছেন ঠিক তেমন ই শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন পরীক্ষার্থীদের।
তবে অভিভাবক দের মনে অনলাইন অফলাইনের দ্বিধা রয়েই গেছে। অভিভাবক দের মনটা যে বলছে ” এ বছর অনলাইন হলেই ভালো হত ” ।
দেখুন…অফলাইন অনলাইন অনলাইন অফলাইন
করোনা লকডাউন প্রায় পঙ্গু করেছিল শিক্ষা যে। তাও সচল রাখতে শুরু হয়েছিল অনলাইন শিক্ষা। ছিল না কোনো নিয়ম নীতি বা বাঁধাধরা সময়। স্কুলের মত নির্দিষ্ট সময় আসা, রুটিন অনুযায়ী ক্লাস, সাবজেক্ট ভিত্তিক পড়াশুনা বা ওএন দিয়ে খাতায় লেখার অভ্যাস টা উঠেই গেছিল আর তাতেই চিন্তার ভাঁজ পড়েছে শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে অভিভাবক দের মধ্যে। অভিভাবক দের প্রশ্ন ” আদৌ তিন ঘন্টা লিখতে পারবে তো ? ‘

