Saturday, April 25, 2026

Massive fire কেন আগুন ? রহস্য

আসানসোলের জামুড়িয়া থানার শ্রীপুর এলাকায় ট্রান্সফর্মারে আগুন লাগাকে কেন্দ্র করে রবিবার সকালে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। একটি ট্রান্সফরমারের আগুন থেকে পর পর তিনটি ট্রান্সফর্মারে আগুন লাগে। আগুনের লেলিহান শিখা প্রায় 50 ফুট উচ্চতায় পৌঁছে যায়। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আকাশ। আতংক সৃষ্টি হয় এলাকায়। খবর পেয়ে ছুটে আসেন স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর। খবর দেওয়া হয় দমকলের ইঞ্জিন কে। 2 টি দমকলের ইঞ্জিনের 1 ঘন্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। অল্পের জন্য রক্ষা পায় সম্পুর্ন একটি বস্তি। Massive fire

প্রশ্ন উঠেছে আগুন লাগল কি করে ? প্রাথমিক তদন্তে অনুমান আগুন লেগেছে শর্ট সার্কিট থেকে। এলাকার মানুষের কথায় ওই ট্রান্সফরমার গুলি কেন্দ্রীয় সরকারের আওতাধীন ইস্টার্ন কলফিল্ড লিমিটেডের। তাদের বিদ্যুতেই দিন গুজরান হয় এলাকার প্রায় 20000 মানুষের। স্থানীয় তৃণমূল নেত্রীর দাবি..দীর্ঘদিন ধরে জামুড়িয়ার বিধায়ক হরে রাম সিং, আসানসোলের প্রাক্তন মেয়র জিতেন তেওয়ারী, বিদ্যুৎ বিভাগে ও জানিয়ে ও কোনো লাভ হয়নি। শুধু ফর্ম ফিলাপ হয়েছে। আর এক এলাকা বাসীর অভিযোগ বহু দিন ধরে ফরম ফিলাপ হচ্ছে। বিদ্যুৎ এর খুঁটি বসছে না। রাজ্য সরকারের বিদ্যুৎ থেকে তারা বঞ্চিত। তবে আজ থেকে নয়। বাম আমল থেকে আজ পর্যন্ত এই এলাকায় তাদের ই সি এল এর বিদ্যুতে ই চালাতে হয়।

পড়ুন – রাজ্য সরকারের বিদ্যুৎ আসে নি কেন

যদিও এলাকার তৃণমূল নেতা সাধন রায় বলেন রাজ্য সরকার টাকা দিতে রাজি। কর্পোরেশন ও টাকা দেবে। কিন্তু ওই এলাকার অদূরেই রয়েছে রেল লাইন। সেই রেল লাইন দিয়ে প্রতিদিন 10 এর বেশি ওয়াগন যায়। সে কারণে কেন্দ্রীয় সরকারের আওতাধীন রেলের ডি আর এম বিদ্যুৎ এর লাইন আনার অনুমতি দিচ্ছেন না। কিন্তু সে কথা মাবতে নারাজ এলাকার বাসিন্দারা। তাদের কথায় বিদ্যুতের লাইনের সঙ্গে রেলের কোনো সম্পর্ক ই নেই।

কারন রেল লাইন অনেক দূরে। তা ছাড়াও রেল লাইন পার হয়েও বিদ্যুতের খুঁটি এসেছে দুর্গামন্দির পর্যন্ত। তার পরেই থমকে গেছে। সূত্রের খবর উক্ত এলাকায় ই সি এল এর কোয়ার্টার এ যারা আছে তাদের বেশির ভাগ ই সি এল কর্মী নন। তার সাথে সাথে উক্ত এলাকার কয়লাখনির অবস্থাও ভালো নয়। ম্যান পাওয়ার যথেষ্ট ই কম। সে কারণে রাত্রে বেলা ট্রান্সফরমার রুমেও কেউ থাকে না। ফলে নিরাপত্তার অভাব রয়েছে যথেষ্ট।

Massive fire কেন আগুন ? রহস্য

Reac AGNEEPATH ASANSOL চোখে মুখে আতংক প্রশাসনের কঠোরতা

 

দেখুন …কি বলছে ই সি এল সূত্র

প্রসঙ্গত, ই সি এল সূত্রের খবর..যেখানে ই সি এল এর কর্মী নেই সেখানে ই সি এল এর দায়িত্ব কেন থাকবে? এলাকার মানুষের দাবি কেন ই বা তারা রাজ্য বিদ্যুৎ পাবে না। ই সি এল এর নেই কোনো মেন্টেনেন্স, নেই স্থায়ী ভোল্টেজ। যে কোনো মুহূর্তে আসতে পারে বিপদ। রবিবারের ঘটনার পর ও কতদিন তাদের অন্ধকারে তাদের থাকতে হবে তাও এখন অজানা। রাজ্য এবং কেন্দ্রের দোলাচলে বিপন্ন হাজার হাজার মানুষের ভবিষ্যৎ। বিদ্যুতের মত বিষয় নিয়েও ছেলেখেলা। যে কোনো মুহূর্তে পুড়ে খাক হয়ে যেতে পারে একটা গোটা বস্তি। আতঙ্কে এলাকাবাসী। কবে হবে সমাধান !!!

Massive fire কেন আগুন ? রহস্য

একদিকে কেন্দ্র। আর এক দিকে রাজ্য। কেন্দ্র সরকারের আওতাধীন ইস্টার্ন কলফিল্ড লিমিটেডের বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে দিন গুজরান হচ্ছে এলাকাবাসীর। আবার রাজ্য সরকারের বিদ্যুতের পোল রেল লাইন পার করে এলেও থমকে গেছে কোনো কারণে। তৃণমূল নেতৃত্বে র কথায় রাজ্য সরকারের দপ্তরে কোথায় 62 লাখ আবার কোথাও 24 লাখের এস্টিমেট হয়ে আছে। মিলছে না রেলের অনুমতি। প্রশ্ন উঠেছে..রেলের অনুমতি না থাকলে রেল লাইন পর করে বিদ্যুতের খুঁটি এল কি করে।

শুনুন..টাকা আছে অনুমতি মিলছে না

প্রসঙ্গত, বেশিরভাগ মানুষ যারা ই সি এল এর কোয়ার্টার এ আছে তাদের বেশিরভাগ ই সি এল কর্মী নন। তবু ও ই সি এল বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে নি এখনো। এমন তো হবে না যে রাজ্য সরকারের খরচায় বিদ্যুৎ সংযোগ করা হল। তারপর অবৈধ ভাবে থাকার কারণে ই সি এল এর পক্ষ থেকে উচ্ছেদ করা হল ? সেই ধন্ধে আটকে নেই তো বিদ্যুৎ সংযোগ ? এমনটাই ভাবছে এলাকাবাসীকে। রবিবার সকালে এ হেন ঘটনায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছে বাসিন্দাদের। এক দুই নয়। প্রায় 20000 মানুষ ই সি এল এর বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল বলে জানান তৃণমূল নেতা সাধন রায়।

তিনি এও বলেন যে কবে ট্রান্সফরমার ঠিক হবে তার কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই। কতদিন অন্ধকারে থাকতে হবে এলাকাবাসী কে তাও অজানা। আসানসোল শিল্পাঞ্চলে সমস্ত খনি এলাকা তেই এই ভাবেই বহু মানুষ বসবাস করে। পরিবারের কেউ হয়ত ই সি এল এ চাকরি করতেন। অবসর নিয়েছেন। টাকা পয়সা ও পেয়ে গেছেন। তবু ও তার পরিবার সেখানেই আছেন। যে কারণে খনি অঞ্চলের প্রচুর ই সি এল কোয়ার্টার এখন তাদের ই দখলে যারা ই সি এল এর সঙ্গে যুক্ত নয়। তবে ভানোর থেকে শুরু করে সালানপুর, বনজেমারী, শ্রীপুর সহ বহু এলাকায় এখনো ই সি এল এর জলেই ই সি এল এর আলোতেই দিন গুজরান হয় মানুষের। সে ক্ষেত্রে খারাপ হলে সময় ও লাগে অনেক। যদিও ই সি এল সূত্রের খবর যে, এটা তাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। এটা শুধু ই জনসেবা।

রাজ্য সরকারের বিদ্যুৎ আসে নি এখনো। মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছে ই সি এল ও। তাহলে কোথায় পৌঁছাবে সাধারণ মানুষের জীবন। অন্ধকার কাটবে না ঘনিয়ে আসবে আরো অন্ধকার!! প্রশ্ন অনেক..

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

3,425FansLike
5,491FollowersFollow
2,341FollowersFollow
5,439SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles