DHANTERAS..Mayor in action..business running without paying tax
পার্কিং এর জায়গায় বিনা রশিদ এ টাকা দিয়ে অবৈধ ভাবে চলছে ব্যবসা… নির্দেশ মেয়র এর
ধন তেরস বা অন্য কোনো দিন। বড় দোকান থেকে দামি জিনিস কিছু কিনতে হলে আমাকে আপনাকে নিতেই হবে পাকা রশিদ। না হলে যদি কেনা জিনিসে কোনো সমস্যা হয় তাহলে তা বদলানো বা ফেরত করা সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। আর সে কারণে পাকা রশিদ নেওয়া অতীব প্রয়োজনীয়। আর সেই পাকা রশিদ নিতে লাগে ট্যাক্স। সাধারণ মানুষ ট্যাক্স দিয়েই জিনিস কেনে। দোকানি কখনো সেল ট্যাক্স এর কথা বলে কখনো জি এস টি। কিন্তু ভাবতে পারেন…আমি আপনি যে দোকানে ট্যাক্স দিয়ে জিনিস কিনতে বাধ্য…তারাই ব্যবসা চালাচ্ছেন ট্যাক্স না দিয়ে ? প্রশাসনের নাকের ডগায় আসানসোল শহরের প্রাণকেন্দ্রে গির্জা মোড়ের কাছে রমরমিয়ে চলছে ব্যবসা। তাও কোনো ছোটখাটো দোকান নয়। একেবারে প্রতিষ্ঠিত দোকানিরা। যারা কেউ কেউ চেম্বার অফ কমার্সের মেম্বার বা আধিকারিক বলা যেতে পারে। যদিও ঘটনার খবর পৌঁছেছে মেয়র বিধান উপাধ্যায় এর কাছে। তিনিও জানিয়েছেন যে করপোরেশন কোনো ট্যাক্স পায় নি। অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দেখুন…কি ভাবে ট্যাক্স না দিয়েই চলছে ব্যবসা
ধন তেরস আসন্ন। আর তাতেই জমে উঠেছে আসানসোল বাজার। বড় বড় দোকানে ভিড়। কিন্তু কি ভাবে হচ্ছে ব্যবসা। দেখাব আমরা।
না কোনো ছোট দোকানের বা ফুটপাথের দোকানের কথা আমরা বলছি না। আসানসোলের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী রা প্রকাশ্য দিবালোকে রাস্তা অবরোধ করে রীতিমত অস্থায়ী দোকান, টেন্ট তৈরি করে ব্যবসা ফেঁদেছেন। ব্যবসায়ী রা বলছেন এই অস্থায়ী টেন্ট করার জন্য তারা টাকা দেন।
যে জায়গায় এই ব্যবসা চলছে তা নাকি পার্কিং এর জায়গা। এই পার্কিং যার আওতায় রয়েছে তাকে নাকি টাকা দেন। কিন্তু কোনো রশিদ তারা পান না। কাকে টাকা দেন, কত টাকা দেন তাও তারা ঠিক করে বলতে পারছেন না। আবার কারা টাকা নিতে আসে সেটাও খোলসা করে বলতে পারছেন না। তবে এ কথা তারা বলছেন যে তারা টাকা দেন কিন্তু রশিদ পান না। হয়ত জিএসটি এর কোনো ব্যাপার আছে তাই রশিদ পাওয়া যায় না। তবে আগে যখন কর্পোরেশনের থেকে জায়গা ভাড়া নেওয়া হত তখন রশিদ পাওয়া যেত।
পড়ুন… কাকে দিচ্ছেন টাকা ? কেন দিচ্ছেন?
ঘটনার খবরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। আসানসোল মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের মেয়র বিধান উপাধ্যায় জানিয়েছেন…উক্ত জায়গায় অধিগ্রহণ করা জায়গার ব্যবসা থেকে কর্পোরেশন এক টাকাও ট্যাক্স হিসেবে পায় না। ফলে এটা অন্যায়। অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, আসানসোলের বিভিন্ন জায়গায় ফুটপাথের দোকান কেও অনেক রকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। সে ক্ষেত্রে বড় বড় দোকান প্রকাশ্য দিবালোকে পার্কিং এর জায়গায় কি ভাবে ব্যবসা চালাচ্ছে ?
পার্কিং মালিক কেই বা কেন টাকা দিচ্ছে ? বিনা রসিদ এই টাকা দিয়ে কি ভাবে এই অবৈধ ব্যবসা চলছে ?
বস্তুত…পার্কিং এর জায়গায় ব্যবসা হওয়াতে পার্কিং পৌঁছেছে মূল জি টি রোড এর ওপর। এখন দেখার আসানসোল মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন কি ব্যবস্থা নেয়।

