Crisis: বন্ধ হতে চলেছে আসানসোলের সুগম পার্কের জল সরবরাহের কাজ। বন্ধ হতে চলেছে আলো, বন্ধ হতে চলেছে বাস পরিষেবা। বন্ধ হতে চলেছে নিরাপত্তা রক্ষীদের কাজ ও। এমন ই পরিস্থিতির মুখ দেখতে চলেছে আসানসোলের খ্যাতনামা সুগম পার্কের প্রায় 1000 পরিবার। বিপত্তারিনি পুজোর দিন আসানসোলের সুগম পার্কের গেটে ধর্ণায় প্রায় 110 জন কর্মী। কেউ জল সরবরাহ করেন। কেউ গাছের পরিচর্যা করেন। কেউ আছেন নিরাপত্তার কাছে। কেউ বা অন্ধকার হলেই জেনারেটর চালান। তাদের দাবি দীর্ঘ 2 মাস ধরে তারা বেতন পান নি। কেউ আবার 5 মাস। শুধু তাই নয়, মৃত কর্মীর গ্রাচুইটি ও পাওয়া যায় নি বলে অভিযোগ। বাধ্য হয়ে তারা বসেছেন ধর্ণায়।
পড়ুন …কার গ্রেপ্তারের দাবি..কোথায় বন্ধ হতে চলেছে জল আলো নিরাপত্তা
বাড়িতে ভাতের হারি চড়ছে না। জ্বলছে না উনন। বাচ্চাদের স্কুলের বেতন দেওয়া যাচ্ছে না। অথচ কর্তৃপক্ষ নিশ্চুপ। বিক্ষোভ কারী দের কথায় প্রশাসন, সুগমে র বাসিন্দা থেকে শুরু করে সোসাইটির কর্ণধার দের কাছে গিয়েও কোনো লাভ হয়নি। তাই এবার ধর্ণা এবং সুগমের জি এম এর গ্রেপ্তারের দাবি। যদি তাতেও কিছু না হয় তাহলে কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হবেন তারা।
এই 110 জন শ্রমিক যদি কাজ বন্ধ করেন তাহলে অন্ধকারে ডুবে যাবে সুগম পার্ক। অনিশ্চিত হয়ে পড়বে সুগমের নিরাপত্তা। তৈরি হবে ময়লার স্তুপ। পাওয়া যাবে না সঠিক সময়ে পানিও জল। প্রসঙ্গত, সুগম পার্ক তৈরি হয়েছিল আসানসোল দুর্গাপুর ডেভেলপমেন্ট অথরিটির সঙ্গে। ডেভেলপার ছিল সুগম পার্ক। সেখানেই ছিল মেন্টেনেন্স এর প্রশ্ন। আর তাকে কেন্দ্র করেই এই সমস্ত কর্মীদের চাকরি।
বর্তমানে সুগমের দাবি বাসিন্দারা অনেকেই মেন্টেনেন্স এর টাকা দেন না। আর যারা দেন বা যে টুকু দেন তা দিয়ে এত বড় আবাসনের মেন্টেনেন্স সম্ভব নয়। যদিও বাসিন্দারা এই অভিযোগ মানতে নারাজ। মালিক বা কর্তৃপক্ষ এবং আবাসিকদের দড়ি টানাটানিতে প্রাণ ওষ্ঠাগত অল্প বেতনের কর্মীদের।
Crisis: sugam park is in prob..বন্ধ হতে চলেছে জল আলো নিরাপত্তা
Invisible village, thanks to CM, কে এই তরুণ ?
দেখুন ভিডিও..কেন ধর্ণা

সূত্রের খবর…সুগমের ডেভেলপিং এর কাজ প্রায় শেষ। বিভিন্ন চুক্তি ও প্রায় শেষের দিকে। দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বেসরকারি সংস্থা কে। তারাও কিছু করছে না বলে অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আবাসিক দের মধ্যে।
আসানসোলের বিশাল বিস্তীর্ণ এই আবাসনে নিরাপত্তারক্ষী না থাকলে কি হবে ? লোডশেডিং হলে সময়মত জেনারেটর না চললে আলো জ্বলবে কি ভাবে। যদিও সূত্রের খবর আর মাত্র 10 দিনের তেল মজুত রয়েছে জেনারেটর চলার জন্য।
ময়লা তোলার কাজ বন্ধ হলে কি ভাবে পরিষ্কার থাকবে এলাকা। যদিও কর্মীদের কথায়..এই শেষ দেখা। এর পর কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হবে তারা। এখন দেখার প্রশাসন কি ভূমিকা নেয়। যদিও ধর্ণায় বসার পর থেকে বার বার সুগমের জি এম শ্রী হারালালকা কে ফোন করলেও যোগাযোগ করা যায় নি।

