Friday, April 24, 2026

Asansol …who is the target of BANGLA POKHO এ কি বললেন বাংলা পক্ষের সাধারণ সম্পাদক

Asansol …who is the target of BANGLA POKHO

এ কি বললেন বাংলা পক্ষের সাধারণ সম্পাদক

আমরা বাঙালি, অবাঙালি, মারওয়ারী,গুজরাটি,শিখ বা অন্য কোনো জাতি বা সম্প্রদায়ের পক্ষে বিপক্ষে নয়। তবে যখন কোনো মিছিল মিটিং, তর্ক, বিতর্ক হয়, যখন খবরের জায়গায় পৌঁছায় তখন আমরা খবর করতে দায়বদ্ধ। ঠিক সে রকমই আসানসোলের রাজপথে হল বাংলা পক্ষের মিছিল।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় এক হাত নিলেন শাসক বিরোধী সবাইকে।

বিশেষ করে এই এলাকায় এসে বললেন “ইউ পি , বিহার থেকে এসে বাংলায় নেতা, কাউন্সিলর বা এম পি হয়ে যাবেন তা সত্যি নিন্দনীয় “
প্রশ্ন উঠেছে ..বাঙালি ও তো ভোট দেয় ..

কি বলছে বাংলা পক্ষ….সম্পুর্ন তাদের মতামত👇

পশ্চিম বর্ধমান শিল্পাঞ্চল বাংলার সবচেয়ে বড় শিল্পাঞ্চল। জামুড়িয়া- ইকরা- চিত্তরঞ্জন- পাণ্ডবেশ্বর- অণ্ডাল- দুর্গাপুর- রানীগঞ্জ- আসানসোল- পানাগড় শিল্পাঞ্চলে বাঙালির সব চাকরি ও কাজ দখল হয়ে গেছে। বিহার-ইউপি- ঝাড়খন্ড থেকে এসে কয়লাখনি-ফ্যাক্টরির কাজ ও চাকরি দখল করছে, বঞ্চিত হচ্ছে স্থানীয় বাঙালি তথা বাংলার ভূমিপুত্ররা। নিজের এলাকায় কাজ, চাকরি ও ব্যবসা থাকা সত্ত্বেও অন্য রাজ্যে কাজে যাচ্ছে শিল্পাঞ্চলের বাঙালি। নানা ফ্যাক্টরি বাঙালির আধারকার্ড ও সিভি দেখিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তাই দখল হয়ে যাওয়া পশ্চিম বর্ধমান শিল্পাঞ্চলে বাঙালির চাকরি ও কাজের স্বার্থে আসানসোলে মহামিছিল হল। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় হাজার খানেক বাঙালি এই মহামিছিলে যোগ দেয়। মিছিলে ঘিরে আসানসোলের বাঙালির উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো, বহিরাগতদের মুখ ছিল থমথমে।

মিছিলের নেতৃত্ব দিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদ সদস্য ও সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি, শীর্ষ পরিষদ সদস্য করবী রায়, সম্রাট কর এবং পশ্চিম বর্ধমানের জেলা সম্পাদক অক্ষয় বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও মিছিলে হাঁটলেন দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী, পূর্ব বর্ধমানের সম্পাদক জুয়েল মল্লিক, বাঁকুড়ার জেলা সম্পাদক অচিন্ত্য নাথ, পশ্চিম বর্ধমান জেলা কমিটির সদস্য তন্ময় গড়াই, শান্তনু ভাদুড়ি, সঞ্জয় কাঞ্জিলাল, বাপ্পাদিত্য চক্রবর্তী, রানা দেব, আকাশ পৈতণ্ডী প্রমুখ।

গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “পৃথিবীর কোথাও এমন জায়গা আছে, যেখানে এত শিল্প ও খনি থাকার পরও ভূমিপুত্ররা বেকার থাকে? এমন জায়গা কোথাও নেই, কিন্তু বাংলায় আছে। বাংলায় কাজ আছে, বাঙালির কাজ নেই। বিহার-ইউপি-ঝাড়খণ্ড থেকে এসে সব চাকরি- কাজ – ব্যবসা দখল করে নিচ্ছে। তাই, পুরো পশ্চিম বর্ধমান শিল্পাঞ্চলে আমাদের ছেলেমেয়েদের চাকরি ও কাজ চাই। লজ্জার কথা যে, শাসক থেকে বিরোধী সব দল বহিরাগত তোষণ করে।”

কৌশিক মাইতি বলেন, “ফ্যাক্টরির ধুলো- বালি – দূষণ খাওয়া, কয়লার ধস খাওয়া, প্রাচীরের বাইরে থেকে চিমনি দেখা- বাঙালির একমাত্র কাজ? বাঙালি ছেলেমেয়েরা ক্ষুধার্ত। আমরা এবার চাকরি-কাজ- ব্যবসা সব খাবো। কোম্পানী ও নানা ফ্যাক্টরি মালিকদের বলতে চাই- সাবধান হোন। বাঙালিকে চাকরি ও কাজ দিন।”

জেলা সম্পাদক অক্ষয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এবার আমরা ফ্যাক্টরির গেটে গেটে ভূমিপুত্রদের সাথে নিয়ে আন্দোলন করবো। আমরা আর সহ্য করবো না। জনবিন্যাস বদলে আসানসোল- দুর্গাপুরকে বিহার বানানো হচ্ছে। আমাদের ছেলেমেয়েরা বাইরে কেন যাবে? কেন নিজের এলাকায় কাজ পাবে না? আগামী দুমাসের মধ্যে দুর্গাপুরে মহামিছিল করবে জেলা সংগঠন।”

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

3,425FansLike
5,491FollowersFollow
2,341FollowersFollow
5,439SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles