TSNM News : যুব সমাজ আর কি রাজনীতিতে আসবে ? কি হল তরুণ তুর্কি প্রার্থীদের ? কেন হল ? নির্বাচন হল। বিশাল জনমত নিয়ে সরকারে এল তৃণমূল। তৃতীয় বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মানুষের বিশাল জনসমর্থন কে সঙ্গী করে এগিয়ে চলবে সরকার। এটা তো গেল সাধারণ চোখে রাজনীতির ছবি। কিন্তু খুব ভালোভাবে বিশ্লেষণ করলে ঠিক কোন জায়গায় রাজনীতি।
প্রসঙ্গত বলা যায় – আজকের দিনে রাজনীতিতে যুবক যুবতী দের বিশেষ একটা আগ্রহ দেখতে পাওয়া যায় না। সে ভাবে প্রত্যক্ষ ভাবে রাজনীতির ময়দানে আসতে ও চাইছে না যুব সমাজ। আমরা কিন্তু শিক্ষিত যুব সমাজের কথা বলতে চাইছি। যারা রাজনীতি বোঝে। রাজনীতি নিয়ে পড়াশুনা করে। বা রাজনীতি নিয়ে ভাবনা চিন্তা করে।
সেই জায়গা থেকে 2021 এ উঠে এসেছিল বেশ কিছু যুবক যুবতী। অবশ্য ই বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে। ঐশী ঘোষ, মীনাক্ষী মুখার্জির মত মেয়েরা। শুধু তাই নয়। কেউ এম এ বি এড, কেউ এম ফিল। কিন্তু কি হল ? ভোট পেয়েছে। এ কথা সত্য। প্রচারে ঝড় উঠেছে। এ কথাও সত্য। জয়ের মহল তৈরি হয়েছিল। এটাও সত্য। কিন্তু ভোট কত পেয়েছেন তারা ? এই পরিমাণ ভোট কি পাবার কথা ছিল তাদের ? কোথায় গলদ ? কেন এই পরিস্থিতি তৈরি হল ? হারিয়ে গেল লাল ঝান্ডা ? নাকি অস্তিত্ত্ব বিলিনের চেষ্টা করা হল ?
মায়ার টানে , ভগ্নপ্রায় হোস্টেলে , অবাক করা ভিডিও
যদি বা ধরে নেওয়া যায়- সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াল বামফন্ট। সে ক্ষেত্রে নিজেদের পকেট ভোট পকেটে রেখে নিজের প্রার্থীদের জিতিয়ে নিয়ে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারত। সে ক্ষেত্রে শিক্ষিত , রাজনৈতিক মনোভাবাপন্ন যুবক যুবতী দের রাজনৈতিক কেরিয়ার এ দাগ পড়ত না। আবার নির্বাচনী রেজাল্ট এর পর হিসেব বলছে বামফ্রন্ট তথা সংযুক্ত মোর্চা 30 টি সিট পেলেও তৃণমূল একাই সরকার গড়তে পারতো।
কি হল তরুণ তুর্কি প্রার্থীদের ? যুব সমাজ আর কি রাজনীতিতে আসবে ?
সে ক্ষেত্রে ও যুবক যুবতী দের রাজনীতিতে আগ্রহ জন্মাত। বেশ কিছু বামপন্থী মনোভাবাপন্ন মানুষের কথায়… প্রার্থীদের দাঁড় করিয়ে যদি সমর্থনের কথা বলা হয় তাহলে মানুষ নিজেই সরকারের সঙ্গে থাকবে। ভায়া হয়ে যাবার প্রয়োজন টা কি ? আর তার ই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে নির্বাচনে । আর একটা প্রশ্ন বার বার উঠছে – আই এস এফ এর সঙ্গে জোট মেনে নেয়নি বামপন্থী ভোটার রা। কিন্তু শৃঙ্খলা বদ্ধ বামপন্থী মনোভাবাপন্ন মানুষ রা রাস্তায় বিরোধিতা করাকে পছন্দ করেন না। তাই অভ্যন্তরেই জবাব দিয়ে দিয়েছেন।
প্রায় এক মাস আগে আমরা খবরে দেখিয়েছিলাম – সংযুক্ত মোর্চাই হবে ডিসাইডিং ফ্যাক্টর। ঘটনা তাই ঘটল। সংযুক্ত মোর্চা অথবা বামফ্রন্ট না হয়ে – সংযুক্ত মোর্চা বা বামফ্রন্টের ভোটার রাই হল ডিসাইডিং ফ্যাক্টর। রাজনীতির আঙিনায় চরম চিন্তায় যুবসমাজ।

