River..Whoever uses water gets cursed কোন নদীর জলপানে মৃত্য পশুর স্নান করলেই অসুস্থ মানুষ !
এক এক অবাক নদী। যখন তখন রং বদলায়। কখনো সাদা জল, কখনো ঘোলা, কখনো সবুজ হয় জলের রং। এর সেই জল পান করেই মৃত্যু হচ্ছে গবাদি পশুর। গত কয়েকদিন কয়েকটি গ্রামে প্রায় 10 টি গরুর মৃত্যু হয়েছে। এই নদীর জল পান করেই গরুগুলির মৃত্যু হয়েছে বলে গ্রামবাসীদের দাবি। তার সঙ্গে সেই নদীর জলে স্নান করলেও অসুস্থ হচ্ছে মানুষ। এমনটাই দাবি করছেন গ্রামবাসীরা।
বারাবনি থানার অন্তর্গত মদন মোহন পুর এলাকায় নদীর জল দূষিত হচ্ছে। এলাকার মানুষের দাবি এই নদীর জল গিয়ে মিশেছে আসানসোলের অন্যতম নুনিয়া নদীতে। দূষিত হচ্ছে জল।
কিন্তু কি কারণে এমন হচ্ছে ? কেন ই বা বড় বার জলের রং বদলেছে ? কিসের আশঙ্কা আসানসোল বাসীর ? দেখাব আমরা।
দেখুন ….এ নদীর জলপান করলেই মৃত্যু হচ্ছে গরুর…স্নান করলেই অসুস্থ হচ্ছে মানুষ..যে কোনো মুহূর্তে অসুস্থ হতে পারেন বহু মানুষ…আশঙ্কা গ্রামবাসীদের
এ নদীর জল পান করে মৃত্যু হচ্ছে গরুর। অসুস্থ হচ্ছে মানুষ। সারা গায়ে চুলকানির মত এক অদ্ভুত অস্বস্তি হচ্ছে বলে জানাচ্ছে গ্রামের মানুষ। শুধু তাই নয়..নিমিষেই বদলেছে নদীর জলের রং। কখনো সাদা দুধের মত, কখনো ঘোলা আবার কখনো সবুজ। গরুর মৃত্যু বা শারীরিক অসস্তি র কারণে আতঙ্কে এলাকাবাসী।
তবে গরুর মৃত্যু একটা দুটো নয়। মাত্র কয়েকদিনে তা 10 এর কাছাকাছি পৌঁছেছে। আবার মৃত গরুর খোঁজ মালিকের কাছে যাবার আগেই মাটির ভেতর পুঁতে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।
অভিযোগের তির আসানসোলের বারাবনি থানার অন্তর্গত মদন মোহন পুর এলাকার এক বারুদ কারখানার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ..উক্ত বারুদ কোম্পানির বর্জ্য পদার্থ ও কেমিক্যাল ফেলে দেওয়া হচ্ছে নদীর জলে। যা বিষাক্ত করছে নদীর জল কে। সেই জল পান করেই মৃত্য হচ্ছে গরুর। মাত্র কয়েকদিন উক্ত কারখানার নিকটস্থ মদনমোহন পুর, মুছা, কালিধাওড়া গ্রামে বেশ কয়েকটি গরুর মৃত্যু হয়েছে। সে গুলো আবার কারখানা কর্তৃপক্ষ মেশিন দিয়ে মাটি খুঁড়ে পুতেও দিচ্ছে। সাধারণ মানুষ যারা নদীতে স্নান করেন তারাও শারীরিক ভাবে অসুস্থ হচ্ছে। বলে বলেও কোনো লাভ হচ্ছে না।
পড়ুন..কেন এমন ঘটনা…কারখানা আধিকারিক কি বলছেন
যদিও কারখানা কর্তৃপক্ষের দাবি তাদের বর্জ্য পদার্থ নদীতে যায় না। এই সময় গরুর পক্স হচ্ছে আর তাতেই মৃত্যু হচ্ছে। মরে পরে থাকা গরুর খোঁজ কেউ নেয় না। গন্ধ ছড়ায়। সে কারণেই কারখানা কর্তৃপক্ষ মাটিতে পুঁতে দিয়েছে। সব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করছে কারখানার ম্যানেজার।
প্রসঙ্গত..বারাবনি থানার অন্তর্গত এই নদীর চেহারা যত ই আসানসোলের দিকে গেছে তত ই চওড়া হয়েছে। এই জল মিশেছে আসানসোলের অন্যতম নুনিয়া বুড়ি নদীতে। কেমিক্যাল মিশ্রিত জলের প্রভাব পড়তে পারে ছট পুজোয় স্নান করা ব্যক্তিদের উপরেও বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছে এলাকাবাসী। এখন দেখার প্রশাসন কি ভূমিকা নেয়।

