একই কাজ বারবার, 3 কিলোমিটার রাস্তায় ঢালাই এর উপর ঢালাই, এলাকার লোকের কথায় ডবল উন্নয়ন কথায় বলে ” ধরে আনতে বললে বেঁধে নিয়ে আসে” । ঠিক সে রকম ই ছবি ধরা পড়ল আসানসোলের হিরাপুর থেকে সেনরেলে রোড আসার রাস্তায়। বার্নপুরের ত্রিবেনি মোড় থেকে চিত্রা মোড় পর্যন্ত রাস্তার ফুটপাথে ঢালাই এর উপর ঢালাই চলছে। সরকারি কাজ। এলাকার লোকের কথায় ভালো ঢালাই এর উপর আবার ঢালাই হচ্ছে। যার ফলে ফুট পাথের ধারে সাত দিন আগে করা রং নষ্ট হচ্ছে। আবার নাকি রং ও হবে। অর্থাৎ ঢালাই ফুটের উপর ঢালাই হচ্ছে। আবার রঙের উপর রং ও হবে। রঙের ব্যবধান সাত থেকে দশ দিন হবে। কেউ আবার ব্যঙ্গ করে বলছেন একবার কেন ঢালাই এর উপর ঢালাই আবার ঢালাই চার বার করে হোক, মানুষের পেট তো চলবে।
ভি ও -2-ফুটপাথে থাকা দোকানদারের কথায় মাত্র সাত থেকে দশ দিন আগে রং হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। আবার ভালো ঢালাই এর উপর নতুন করে ঢালাই হচ্ছে। ফলে রং ও নষ্ট হচ্ছে আর ঢালাই ও নিষ্প্রয়োজন। সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে। যেখানে রাস্তা ঘাট খারাপ আছে সেখানে কাজ হচ্ছে না। শুধু তাই নয়। ঢালাই এর উপর ঢালাই কেন হচ্ছে তাতেও অবাক এলাকাবাসী। এমন কাজ কোথায় দেখা যায় না বলে বক্তব্য তাদের। তবে সাধারণ মানুষের বলার কিছু নেই, কারন সরকারের কাজ।
কি হচ্ছে বার্নপুর আসানসোলের রাস্তায়
সূত্রের খবর আসানসোলের বার্নপুরের ত্রিবেনি মোড় থেকে সেনরেলে রোড এর জুবিলী মোড় পর্যন্ত প্রায় 4 কিলোমিটারের বেশি এলাকায় এই কাজ হবার কথা। প্রশ্ন উঠেছে এ কি পরিকল্পনা হীন কাজ নাকি সরকারি পর্যবেক্ষণের অভাব ? তবে এক ই জায়গায় সাত দিনের মধ্যে একই কাজ যে সরকারি অর্থের অপচয় তা বলছে এলাকাবাসী।
সম্পুর্ন খবর ও ভিডিও দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন ইউ টিউব এ tsnm news
আসানসোলের বার্নপুর থেকে সেনরেলে রোড পর্যন্ত ডিভাইডার এ শুরু হয়েছে সৌন্দর্য করণের কাজ। লাগানো হয়েছে গাছ। বৃক্ষরোপন কর্মসূচি চলছে জোরকদমে। সরকারের এ হেন কর্মসূচি এবং উন্নয়ন কে সাধুবাদ অনেকেই। সে জায়গায় উক্ত রাস্তায় উন্নয়নের উপর উন্নয়ন কে অর্থই অপচয় বলে মনে করছে এলাকাবাসী। কেউ আবার বলছেন ঠিকাদারের গাফিলতি। কারন সিমেন্টের কাজ তো অনেকদিন থাকে।বতাহলে ঢালাই এর উপর ঢালাই কেন ? আগের ঢালাই কি ঠিক ছিল না ? আবার রং টাই বা আগে করা হল কেন যদি ঢালাই এর পরিকল্পনা ছিল ? তাহলে কি পরিকল্পনার অভাব ? প্রশ্ন অনেক …

