will govt get the royality ? who control the illegal stock ? দপ্তর চুপ কেন ?
আসানসোলের বিভিন্ন জায়গায় বালির স্টক। পাড়ায়, রাস্তায়, জঙ্গলে যেখানে সেখানে পরে রয়েছে বালি। আর সেখান থেকে ট্রাক্টরে করে বালি তুলে নিয়ে গিয়ে বিক্রি হচ্ছে। শুধু তাই নয়, যে ট্রাক্টরে করে বালি বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সেই চালকের কাছে কোনো চালান ও নেই। এমনটাই বলছে চালক।
তাহলে রাজস্ব আসবে কোথা থেকে।
প্রসঙ্গত, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বালির স্টক করতে গেলে একটা টাকা সরকার কে দিতে হয়। অনুমতি নেবার জন্য। কিন্তু সে টাকা সরকার কে দেওয়া তো দূরের কথা, চালান ও ব্যবহার হচ্ছে না। যে কারণে টাকা পাচ্ছে না সরকার। ব্যবসা চলছে।
এই সরকারে ই একটা সময় দেখা গিয়েছিল ভূমি রাজস্ব দপ্তরের ব্যাপক অভিযান। অবৈধ বালির স্টকে পৌঁছে জরিমানা করতেন অফিসার রা। জরিমানা যেত সরকারের ঘরে। কিন্তু এখন যেন দপ্তর চুপ।
পড়ুন…কারা রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছেন ? ভূমি রাজস্ব দপ্তর চুপ কেন ?
নিজের এলাকায় বেশ কিছু জায়গায় বালি র অবৈধ স্টক থাকলেও এলাকার কাউন্সিলর বলছেন তিনি এসবের মধ্যে নেই। সবটাই পুলুস প্রশাসন দেখবে। আর প্রকাশ্য দিবালোকে ঘটা ঘটনা হে প্রশাসন কিছু ই জানে না এমনটা মানতে নারাজ বিরোধীরা।
তাহলে পৃষ্ন উঠছে..কেউ কি চায় না ..সরকারি রাজস্ব জমা হোক ?
আসানসোলের বিভিন্ন জায়গায় ভোর রাত থেকেই শুরু হয়ে যায় বালির গাড়ির চলাচল। আসানসোলের প্রশাসনিক দপ্তরের পাস দিয়ে ছুটে চলে গাড়ি। আবার পরে থাকা অবৈধ বালির স্টকের পাস দিয়ে ছুটে চলে আধিকারিক দের গাড়ি। চোখে কি পড়েনা ?
বিরোধীরা বলছে..রাজস্ব নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই সরকারের।
দেখুন…নিয়মিত সরকারি রাজস্বের ক্ষতি
প্রসঙ্গত, অবৈধ বালির স্টকে জরিমানার পরিমান নেহাত ই কম নয়। কিন্তু ভূমি রাজস্ব দপ্তর চুপ কেন তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আবার তৃণমূল কাউন্সিলর বলছেন…কয়লা বালি জমি ইত্যাদি তে তিনি নেই। পুলিশ প্রশাসন দেখবে। সব রকমের সাহায্য তিনি করবেন। তাহলে তার এলাকায় থাকা অবৈধ স্টক এর খবর কি তিনি প্রশাসন কে দেবেন ? অথবা প্রশাসন কি কোনো ব্যবস্থা নেবে ? সেটাই এখন দেখার।
তবে প্রশাসন থেকে সাধারণ মানুষ। সবাইকেই ভাবতে হবে..সরকার রাজস্ব না পেলে বিপদ সবার। কষ্ট পেতে হবে সবাইকে।

