উপনির্বাচনে বেশি সংখ্যক মানুষ ই ভোট দেবেন না…যারাই দেবেন কেউ বাধ্য হয়ে…কেউ সিস্টেমে থাকার জন্য..খুশি মনে নয়..মনের ক্ষোভ উগরে দিলেন
ছুটছে বড় বড় গাড়ি। উড়ছে কোটি কোটি টাকা। সারাদিন বুটের শব্দ। আসছেন বড় বড় নেতা। বিশাল সমর্থক নিয়ে মিছিল করছেন অগ্নিমিত্রা পাল, শত্রুঘ্ন সিনহা অথবা পার্থ মুখার্জি রা। আসছেন মহ: সেলিম, শুভেন্দু অধিকারী, পার্থ চট্টোপাধ্যায় এর মত নেতা নেত্রীরা। কিন্তু যাদের জন্য তাদের বিলাসিতা সেই সাধারণ মানুষ কি বলছেন ? উগরে দিলেন তাদের মনের কথা আমাদের ক্যামেরায়।
পড়ুন…বার বার ভোট নয় কেন ?
ভিডিও দেখুন
ক্ষুদ্র দোকানদার অজয় প্রসাদ বা সুরোজের কথায়..ভোট দেবেন না তারা। বার বার ভোট। শুধু হয়রানি। হয় না কিছুই। নিত্যদিন জিনিসের মূল্য বৃদ্ধি। জিতেছিলেন বাবুল। দল ছেড়েছেন তিনি। সব খরচ তার থেকে নেওয়া উচিত।
বরাবর তৃণমূল কে ভোট দিয়ে আসা স্বপন বাবু বলেন..বার বার ভোট। প্রচুর টাকা খরচ। অথচ বেকার যুবক দের কাজ নেই। তারপর রামপুরহাট এর ঘটনায় বদনাম হয়েছে তৃণমূলের। আইনশৃঙ্খলা যতদিন ঠিক না হবে ততদিন আর ভোট দেবে না।
শুনুন…কি চায় আম আদমি
আসানসোলের বি এন আর এ পথচলতি অপূর্ব বাবু সরাসরি ক্যামেরায় বলেন তিনি এবার ভোট দেবেন না। ভারতের মত গরিব দেশে বার বার ভোট। এত টাকা খরচ। দায়িত্ব কে নেবে ?
ছাতা মাথায় হেটে যাওয়া বয়স্ক মানুষটির কথাও এক ই। বার বার ভোট মানেই তো ওয়েস্টিজ অফ মানি। জিতেও এরা নিজেদের রেস্পন্সিবিলিটি ভুলে যায়। অসুবিধার স্বীকার হন সাধারণ মানুষ।
দেখুন…কেউ কথা রাখে না
অপর দিকে পথচলতি মহিলা অস্মিতা অধিকারী বলেন..বার বার ভোট মানে হ্যারাষ্মেন্ট। মানুষকে ব্যাস্ত করা। জেতার পর তো কেউ কমিটমেন্ট এর দাম রাখে না। তবে ভোট দিতে হয় বাধ্য হয়ে।
তবে তৃণমূল সমর্থক অঞ্জন ঘোষ এর দাবি…ভোট দিতে হবে। সরকার গঠনের লক্ষ্যে। তার থেকেও বড় কথা সিস্টেমে থাকতে হলে।
একদিকে মহার্ঘ্য জ্বালানি, আগুন ছোয়া সবজির দাম, অর্ধস্তব্ধ জনজীবন, বাহ্যত ব্যবসা থেকে শিক্ষা। তারপর বারবার ভোটে নারাজ বেশিরভাগ মানুষ। এখন দেখার কত শতাংশ ভোটদান হয়।

