asansol:speech fight..TMC vs BJP বাক্যবান ..TMC vs BJP
আমরা সেই ঘটনার কথা বলছি যে ঘটনা কে কেন্দ্র করে সর্বভারতীয় তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক টুইট করেছেন। তৃণমূল মুখপাত্র কুনাল ঘোষ বক্তব্য রেখেছেন। লিখিত না হলেও রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে অভিযোগের কথা বলছেন শাসক শিবির, বাদ যায়নি বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তেওয়ারী থেকে শুরু করে কাউন্সিলর চৈতালি তেওয়ারী, কাউন্সিলর গৌরব গুপ্তা, কাউন্সিলর অমিত তুলসিয়ান এর নাম ও। গ্রেপ্তার হয়েছে ছয় জন।
আমরা সেই ঘটনার কথা বলছি..যেখানে রাজ্য সরকার বাড়িয়ে দিয়েছে সাহায্যের হাত। সরকারের থেকে ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রত্যেক মৃতের পরিবারকে 2 লক্ষ টাকা করে ও আহত দের চিকিৎসার জন্য পঞ্চাশ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। আমরা সেই ঘটনার কথা বলছি যেখানে মৃতের পরিবার ও আহতদের পাশে দাঁড়িয়েছেন আসানসোল উত্তরের বিধায়ক মন্ত্রী মলয় ঘটক, মেয়র বিধান উপাধ্যায়, বিধায়ক নরেন চক্রবর্তী থেকে শুরু করে অনেকেই।
পড়ুন.. সরকার কি ভাবে পাশে আছে তাদের
হ্যাঁ.. আমরা তাদের কথা বলছি যাদের প্রাণ হটাৎ ই চলে গেল শিবচর্চার অনুষ্ঠানে পদপিষ্ট হয়ে। কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে।
নেহাৎ ই একটি কম্বলের আসায় উত্তর আসানসোলের রামকৃষ্ণ ডাঙ্গা এলাকার কৈলাশ নগরে অনেক মহিলার মতই কাল্লা থেকে এসেছিলেন ঝালি বাউড়ি, রামকৃষ্ণ ডাঙ্গা এলাকার চাঁদ মুনি দেবী, নাবালিকা প্রীতি সিং ও।
উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বেশ কিছুক্ষণ বক্তব্য রাখার পর শিবচর্চায় কিছুক্ষন থেকে কয়েকজনকে কম্বল বিতরণ করে বিরোধী দলনেতা চলে যান আসানসোল জেলা অফিসে। সেখানে সাংবাদিক সম্মেলন করার পর কিছুক্ষন নেতা কর্মীর সঙ্গে কথা বলার পর বেরিয়ে যান। তার পরেই আসে দুঃসংবাদ। মর্মান্তিক ঘটনার খবর।
এর পর শুরু হয় রাজনৈতিক তরজা। সরকারের পক্ষ থেকে বহু রকমের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয় মৃতের পরিবার ও আহতদের। সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক পারদ চড়তে থাকে। অভিযোগ দায়ের হয়। পুলিশ গ্রেপ্তার করে বেশ কয়েকজনকে।
রবিবার দুপুরে উক্ত এলাকায় আসেন রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিরা। বাবুল সুপ্রিয়, শশী পাঁজা,সায়নি ঘোষ,পার্থ ভৌমিক,বিবেক গুপ্তা, মন্ত্রী মলয় ঘটক ও। তারা মৃতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। তারপর একের পর এক অভিযোগ করেন বিজেপির বিরুদ্ধে।
সায়নি ঘোষ বলেন..ঘটনার খবর পেয়েও আসেন নি শুভেন্দু অধিকারী। যেখানে সভার শেষেও বসে থাকেন টিআরপি বাড়ানোর জন্য সেখানে এই ঘটনায় কেন নেই ? শশী পাঁজা বলেন আইনের বাইরে গিয়ে কাজ করা চরম অপরাধ। কম্বল দিয়ে বিরোধী দলনেতার সভায় লোক আনতে হচ্ছে। ভাবতে হবে কোথায় বিজেপি!
বাবুল সুপ্রিয় বলেন যারাই অভিযুক্ত তাদের ই গ্রেপ্তার হতে হবে। সে যে অধিকারী হোক না কেন !
যদিও শাসক দল কেও কটাক্ষ করতে ছাড়েন নি বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তেওয়ারী।
দেখুন ..ঠিক বাক বিতণ্ডা কোন পর্যায়ে তা দেখতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন।
চ্যানেলে সম্প্রচারিত বক্তব্য সম্পুর্ন তাদের ব্যক্তিগত মতামত..এর জন্য চ্যানেল দায়ী নয় 👆
বাস্তবে, চোখের জল যেন থামতে চাইছে না মৃতের পরিবারের। একটা কম্বলের জন্যে প্রাণ চলে যাওয়ার ঘটনায় হতচকিত সবাই। অনেকেই আসছেন। কিছুক্ষনের জন্য শোরগোল পরে যাচ্ছে কিন্তু পরক্ষণেই আবার শোকস্তব্ধ এলাকা। এমন ও হয় !!! ভাবতেই দিন কাটছে আসানসোলের রামকৃষ্ণ ডাঙ্গা বাসিন্দাদের।

