প্রায় 20 টি বাড়িতে ধমকি ভরা উড়ো চিঠি ( LETTER ) , আসানসোলের প্রটেক্টেড আবাসনে আতংক, দিনের বেলাতেও শুনশান এলাকা, সন্ধ্যের পর যেন নিস্তব্ধতা। শুনলে অবাক হবেন। বেশ কিছু দিন ধরেই এই এলাকায় দিনের বেলাতেও যেন রাতের নিস্তব্ধতা বিরাজ করে। উচ্চ বিত্তদের এই সোসাইটি তে সবাই কর্মব্যস্ত। গাছ গাছালিতে ভরা আসানসোলের ইভলিন লজ এলাকার পরিবেশ শান্ত স্নিগধ। বাড়িতে থাকেন বেশি সংখ্যক বয়স্ক রা।
গ্রীষ্মের এই প্রবল তাপ প্রবাহে বাড়ির বাইরে মানুষ জনের দেখা মেলা ভার। সময় শুধু গোধূলি বেলায় পার্কের মাঠে শিশু দের খেলা ধুলা। আর ভোর বেলায় মর্নিং ওয়াক বা সন্ধ্যে বেলায় ইভিনিং ওয়াক। তাতেও বাধ সেধেছে উড়ো চিঠি। বেশ কিছুদিন ধরে আতঙ্কে দিন কাটছে এমনটাই জানাচ্ছেন এলাকাবাসীরা। শিশুদের বাইরে বেরোতে দিতে ভয় পাচ্ছেন বাবা মায়েরা। ভয় রয়েছে মর্নিং ওয়াক এও।

আর, হয়ত দুপুরের এই নীরবতা হয়ে উঠেছে ভয়ের কারণ। চিঠি আসছে দুপুর সাড়ে 3 টে 4 টে নাগাদ। সেই সময় এই চিঠি আসছে বলে জানাচ্ছেন এলাকাবাসী। এক দু জন নয়, প্রায় 20 জনের বেশি মানুষের বাড়িতে চিঠি এসেছে বলে এলাকার মানুষের দাবি। কি কারন, কেন এই রকম চিঠি ? কিছুই বুঝতে পারছেন না এলাকাবাসী। যদিও স্থানীয় থানায় বিষয়টি জানিয়েছেন তারা।
পড়ুন….কিন্তু কি লেখা আছে চিঠিতে ? কেমন চিঠি ? কি হচ্ছে চিঠি আসাতে ?

উড়ো চিঠিতে ঘুম উড়েছে আসানসোল দক্ষিণ থানা অন্তর্গত ইভলিন লজ এলাকায়। আসানসোলের বিত্তশালী এই এলাকার বাংলো এবং কোয়ার্টার এ কে বা কারা হুমকি ভরা চিঠি ফেলে যাচ্ছে। কোনো চিঠি ব্রাউন খামে আবার কোনো চিঠি সাদা পাতায় লেখা।
LETTER creat terror উড়ো চিঠিতে আতংক you are in danger !
Student vs Police ধুন্ধুমার শিল্পাঞ্চলে
ভিডিও দেখুন 👇
চিঠিতে পরিষ্কার ভাবে লেখা আছে “চিঠি পাবার একদিনের মধ্যে 2 লক্ষ টাকা অথবা বাড়িতে সোনা গয়না যা আছে তা কালো পলিথিন ব্যাগে ভরে ফিটার বক্স বা বাগানে রেখে দিতে। না হলে অনেক কিছুই ঘটতে পারে। শুধু একটি বাড়িতে নয়। এখন পর্যন্ত 20 টি বাড়িতে এমন চিঠি এসেছে বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী। তারা এই ঘটনা লিখিত ভাবে সংলগ্ন থানাকেও জানিয়েছে। যদিও এখনো কোনো সুরাহা হয়নি বলে অভিযোগ। এলাকাবাসীর বক্তব্য, ভীত হয়ে আছে তারা। ছোট ছোট বাচ্চারা খেলা ধুলা করতে বেরোয় অথবা বয়স্ক রা ওয়াকিং করে। কিন্তু সে গুলো ও প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
আতংক যেন পিছু ছাড়ছে না বিগত পাঁচ দিন ধরে। বিকেল বেলাতেও এলাকার রাস্তা শুনশান। দু এক জনকে দেখা গেলেও তারা যেন সবাইকেই আগন্তুক মনে করছে। প্রসঙ্গত, আসানসোলের দক্ষিণ থানা অন্তর্গত 55 নম্বর ওয়ার্ডের এই এলাকায় পুলিশ কমিশনারেটের অফিস, পাসপোর্ট অফিস সহ আরো কিছু প্রশাসনিক আধিকারিক এর অফিস সহ সেল ইস্কো এর বহু আধিকারিকের বাংলোর কারণে এক প্রকারের প্রটেক্টেড এরিয়া ই বলা চলে। সেই জায়গায় কোনো এক সংগঠনের নাম করে হুমকি ভরা চিঠিতে যথেষ্ট আতংক ছড়িয়েছে এলাকায়।

