ECL OFFICIALS & DGMS NEXUS !! ALLEGATION OF INTUC LEADER..Safety scam
তদন্ত করবে এজেন্সি !!!!
ফের বিস্ফোরক অভিযোগ আই এন টি ইউ সি নেতার। ইস্টার্ন কোলফিল্ড লিমিটেডের সাতগ্রাম এলাকায় রবিবার সকালে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি। অভিযোগ মান্থলি এর। অভিযোগ যোগসাজশের। শুধু তাই নয়..অভিযোগ ইস্টার্ন কোলফিল্ড লিমিটেডের জি এম দের বিরুদ্ধে আধিকারিক দের বিরুদ্ধে। কয়লাখনির সুরক্ষার দায়িত্বে থাকা ডি জি এম এস এর ও বিরুদ্ধে।
একেবারে অবৈধ কয়লার সিন্ডিকেটের মত কাজ চলছে বলে জানান তিনি। কেন্দ্র সরকারের আওতাধীন সংস্থা ই সি এল এর সুরক্ষার মিটিং শুধুই আই ওয়াশ বলে দাবি করেন তিনি। প্রসঙ্গত, অবৈধ কয়লা পাচার কাণ্ডে ই সি এল এর প্রাক্তন এবং বর্তমান বেশ কয়েকজন জি এম এই মুহূর্তে আসানসোল বিশেষ সংশোধনাগারে রয়েছেন। সিবিআই এর তদন্ত চলছে।
দেখুন…অবৈধ কয়লার মত সিন্ডিকেট বা মান্থলি ই সি এল এর জি এম এবং ডিজিএম এস এর মধ্যে : অভিযোগ
সেই জায়গায় এ হেন মন্তব্য আগুনে ঘি ঢালল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
ঘটনার সূত্রপাত খনির ভিতর এক শ্রমিকের মৃত্যু কে ঘিরে। রবিবার ভোর রাতে ই সি এল এর সাতগ্রাম এরিয়ার সাতগ্রাম ইনক্লাইন এ চাল ধসে মৃত্যু হয় সওদাগর ভূঁইয়া নামে এক শ্রমিকের। আহত হন আরো 2 জন। এর পরেই উত্তাল হয় এলাকা। এলাকায় পৌঁছান খনি সংগঠনের নেতা আর সি সিং, তরুণ গাঙ্গুলি সহ আরো অনেকে। অভিযোগ…মাটির নিচে কয়লা কাটতে শ্রমিক নামার আগে কয়লার ছাদ পরীক্ষা করার কথা অভারম্যান দের। কিন্তু সে কাজ হয়নি। সুরক্ষার অভাব প্রমাণিত। সেই জায়গা থেকেই আই এন টি ইউ সি নেতা তরুণ গাঙ্গুলি বলেন…ই সি এল এর ম্যানেজার রা খনির কথা ভাবছেন না। সুরক্ষার মিটিং শুধুমাত্র আই ওয়াশ। অবৈধ কয়লার যেমন সিন্ডিকেট চলে মান্থলি এর বিষয় আছে এখানেও তাই হচ্ছে। অবৈধ কয়কার ব্যবসার মত এখানেও সিন্ডিকেট চলছে।
পড়ুন …অভিযোগ অস্বীকার খনি কর্তৃপক্ষের
সুরক্ষার দায়িত্বে থাকা ডাইরেক্টর অফ মাইন্স সেফটির সঙ্গে ই সি এল এর ম্যানেজার দের ও মন্থলির ব্যাপার রয়েছে। কোনো ভূমিকাই নেই ডি জি এম এস এর। মৃত্যু হচ্ছে শ্রমিকদের। এর অবিলম্বে প্রতিবাদ দরকার।
পড়ুন.. আই এন টি ইউ সি নেতার বিস্ফোরক অভিযোগ
যদিও সমগ্র বিষয়টি অস্বীকার করেছেন উক্ত খনির এজেন্ট বিজয় কুমার। তিনি জানান…এটা ইনক্লাইন। এখানে ওসব হয় না। ঘটনা ঘটেছে। তদন্ত চলছে।
অপর দিকে মাইনিং এক্সপার্ট তথা খনি সংগঠনের নেতা আর সিং জানান..রুফের ঝালাই হয় নি। রুফ পরীক্ষা হয়নি। রুফ ফল হওয়ার কারণে এই ঘটনা। দায় নিতে হবে ই সি এল কে ই।
প্রসঙ্গত, কয়লা পাচার কাণ্ডে সরকারি খনির জি এম রা যেখানে জেল হেফাজতে । অভিযোগ নেক্সাস, মান্থলি বা অবৈধ লেনদেন। সেখানে আবারো ই সি এল এর জি এম এবং আধিকারিক দের বিরুদ্ধে এ হেন অভিযোগ তদন্ত করবে কি এজেন্সি ? এমন ই প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে খনি অঞ্চলে।

