জলপাইগুড়ি:- দিনভর ভালুক আতঙ্ক, ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও, সবটাই অমীমাংসিত , এবার ভালুকের আতঙ্ক খোদ জলপাইগুড়ি শহরে। অবাক করে দেওয়ার মতো এমনই ঘটনায় চাঞ্চল্য শহর জুড়ে। জলপাইগুড়ি শহরের মধ্যে তিস্তা উদ্যানে ভালুকের পায়ের ছাপের মতো চিহ্ন দেখতে পান কর্তব্যরত তিস্তা উদ্যানের কর্মীরা। সঙ্গে সঙ্গে এদিন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় তিস্তা উদ্যান।
তিস্তা উদ্যানের দুই কর্মী এদিন সকালে এসে প্রথমে অজানা জন্তুর পায়ের ছাপ দেখতে পান। এক বনকর্মীর কথায় এটি ভালুকের পায়ের ছাপ হতে পারে। ঝুঁকি না নিয়ে আপাতত বনদপ্তর তিস্তা উদ্যান বন্ধ রাখা হয়েছিল। এই ঘটনার পর আবারও, তিস্তা বাঁধের পাশে মঞ্জু পাইনের বাড়িতে দেখা মিললো ভালুকের। মঙ্গলবার গভীর রাতে ভালুকটি ঢুকে পড়েছিল তিস্তা বাঁধের পাশে থাকা মঞ্জু পাইনের বাড়িতে।
রাত প্রায় ১২ টা নাগাদ ঘুমিয়ে পড়েছিলেন মঞ্জু পাইন। ওইসময় টিভি দেখছিলেন তাঁর ছেলে ও এক নাতি। আচমকাই বাইরে কোনও কিছুর আওয়াজ শুনতে পেয়ে আলো জ্বালিয়ে দরজা খুলতেই উঠোনের মধ্যে ভালুকটিকে দেখতে পান মঞ্জু পাইনের ছেলে ও নাতি। তখন তারা বাইরে বেরিয়ে ভালুকটিকে দেখেন তিস্তা বাঁধের ওপর দিয়ে পালিয়ে যায় প্রাণীটি। ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কে রয়েছেন মঞ্জু পাইন ও তাঁর প্রতিবেশীরা।গতকাল ভোররাত থেকে শুরু হওয়া ভালুক আতঙ্ক গভীর রাত পেরিয়ে গেলেও অমীমাংসিত হয়েই রয়ে গিয়েছে। খোঁজ মেলেনি ভালুকের। তৎপর বনদপ্তর।
কথায় বলে বন্যেরা বনেই সুন্দর। আর লোকালয়ে এলেই বিপত্তি। আর তাই ঘটল জলপাইগুড়িতেশুধু তাই নয় ।ভাল্লুক বন্ধ করল বইমেলা। ভাবতে পারেন..এক ভাল্লুকের ভয়ে বইমেলা বন্ধ করতে বাধ্য হল প্রশাসন। শুধু তাই নয়। ভাল্লুক ধরতে খাঁচা পাতা হয়েছে করলা নদীর ধারে। সার্কিট বেঞ্চের বিপরীতে। ভাল্লুক সাহেব কে বাগে আনতে পাউরুটির সঙ্গে মধু মিশিয়ে খাবারের ও ব্যবস্থা করা হয়েছে। সূত্রের খবর সিসিটিভি তে দেখা গেছে ভাল্লুক। আর তার ভয়ে ই আপাতত বন্ধ করা হয়েছে বইমেলা। রাতভর চলছে ভাল্লুকের তল্লাশি। তৎপর প্রশাসন। তৎপর বনদপ্তর।
বিশেষ খবর তুমি বলবে আমি শুনবো
আরও খবর :- আসানসোল- একদিন হয়ত ওই মাংস মাছে ই মন ভরবে ওদের।
তিন বছরের সুদামা ক্ষিদের জ্বালায় কাঁদছিল। আবার 5 বছরের দিপুর যেন গায়ে জামা ছিল না বললেই চলে। আসে পাশের বস্তির ছোট ছোট মেয়েরা অনাথের মত ঘুরে বেড়াচ্ছিল। পিছিয়ে পড়া আদিবাসীদের বেশ কিছু বাচ্চারা বিয়ে বাড়িতে রাত্রি 2 তোর সময় দাঁড়িয়ে ছিল একটু খাবারের আশায়। না যে ছবি চোখে দেখার মত নয়। ক্ষুধার্ত শিশুদের একদিন হয়ত কেটে যাবে বিয়ে বাড়ির উচ্ছিষ্ট খাবারে। একদিন হয়ত ওই মাংস মাছে ই মন ভরবে ওদের। কিন্তু বাকি 364 দিন ? বাকি জীবন ? কি হবে ওদের ?
ভালোবেসে বুঝিয়ে বাস্তব কে রূপ দেওয়া ই তার লক্ষ্য।
হ্যাঁ.. এমন ই ভাবনা ভাবিয়েছিল কলেজ শিক্ষক চন্দ্র শেখর বাবু কে। নাড়া দিয়েছিল তার মনকে। দংশিত করেছিল বিবেক কে। তারপরেই শুরু এক চিন্তাভাবনা। যা রাজ্যের কোনে কোনে পৌঁছে গেছে আজকের দিনে। বিয়েবাড়ি বা অনুষ্ঠান বাড়িতে হাজির শিক্ষক। বেঁচে যাওয়া খাবার ফেলে না দেবার অনুরোধ। সেই খাবার সংগ্রহ করে ক্ষুধার্ত দের পেট ভরানোর কাজ শুরু করেন চন্দ্র শেখর। মানবিকতার ছায়া এমন জায়গায় পৌঁছায় যে মানুষ নিজেই খাবার পৌঁছানোর কাজ শুরু করেন। সামান্য কিছু হলেও ক্ষুধার্ত দের পেট ভরতে শুরু হয়।
একসময় শিক্ষা ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা বা বিভিন্ন সমস্যার বিষয় কে সামনে রেখে উন্নয়নের স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। তারপর গরিব মানুষদের খাবার। খাবারের পর বস্ত্র। সুধুর আসানসোল থেকে সুন্দরবন পর্যন্ত ছড়িয়ে পরে এই চিন্তাভাবনা। কখনো যৌনপল্লীতে শিক্ষাদান তো কখনো আবার প্রাকৃতিক দুর্যোগ এর সময় ত্রাণ নিয়ে সুন্দরবন। না। ফুডম্যান এর সাথে এখন তিনি আসানসোল মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের প্রশাসক মন্ডলীর সদস্য। হাত দিয়েছেন অবৈধ দখলদার উচ্ছেদে।
ফুডম্যান এর মানবিক হৃদয় যেন কখনো কখনো প্রশাসক রূপে কঠোর হতে শুরু করেছে।
যদিও এই তথ্য মানতে নারাজ তিনি। বলেন..কঠোরতা দিয়ে কাজ করতে নারাজ তিনি। ভালোবেসে বুঝিয়ে বাস্তব কে রূপ দেওয়া ই তার লক্ষ্য। তবে শিক্ষা বা খাবার, কোনোটা থেকে বিরত নন তিনি। চালিয়ে যাচ্ছেন সমানে। তবে ব্যস্ততা বেড়েছে। করপোরেশনের কাজ এর কারণে একটু সময়ের অভাবে দেখা দিয়েছে অন্য দিকগুলোতে। তবে তাঁর সাথীরা বন্ধুরা কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি দাবি করেন ..এই চিন্তা ভাবনা এখন পাড়ায় পাড়ায়। প্রায় 7 বছর আগে শুরু করেছিলেন খাবার এর বিষয়। আজ বহু মানুষ পাড়ায় পাড়ায় করছেন এই কাজ
অবশেষে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর বনদপ্তর ও পুলিশের প্রচেষ্টায় ধরা পড়ে বাঘ।
কিন্তু কি ভাবে এত গুলো দিক সামলাচ্ছেন তিনি? মানবিক হৃদয় কি কঠোরতার রূপ নিয়েছে ? অগ্রাধিকার কিসে ?
আমরা কথা বলেছিলাম আমাদের বিশেষ অনুষ্ঠানে ” তুমি বলবে আমি শুনব ‘
আসুন দেখে নি …কি বলছেন তিনি..
আরও খবর :- মৈপিঠ- গত কাল আমরা দেখিয়েছিলাম কোস্টাল থানার মাইপিঠে বাঘের আতংক।
গত কাল আমরা দেখিয়েছিলাম কোস্টাল থানার মাইপিঠে বাঘের আতংক। দেখা গিয়েছিল বাঘের পায়ের ছাপ। আতঙ্কে ছিল এলাকাবাসী। বাঘ খুঁজতে বেরিয়ে পড়েছিল সাধারণ মানুষ। বিছানো হয়েছিল জাল। পুলিশ মাইকিং ও শুরু করেছিল। বনদপ্তর তার কাজ শুরু করেছিল।

অবশেষে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর বনদপ্তর ও পুলিশের প্রচেষ্টায় ধরা পড়ে বাঘ। বন্দি করে হয় খাঁচায়। বাঘ ধরা পড়ায় আপাতত নিশ্চিন্তে এলাকার মানুষ। তবে কি ভাবে লোকালয়ে বাঘ এল আর কেন ই বা এল , তা নিয়ে চিন্তিত এলাকার মানুষ।
আরও খবর :- কোচবিহার – সূত্রের খবর উক্ত এলাকায় পেট্রোল বিক্রি করা হয়।
দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন। পুড়ছে আস্ত একটা বাড়ি। আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ছে চতুর্দিকে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত দমকল বাহিনী। পুলিশ। চেষ্টা চলছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার।

নেই মুসকানের হাসি । বন্ধু চল। বৃদ্ধাশ্রমে আধার। প্রশাসক
এ ছবি কোচবিহারের নতুন বাজারে। সূত্রের খবর উক্ত এলাকায় পেট্রোল বিক্রি করা হয়। যে কারণেই আগুনের চেহারা এত ভয়ংকর। যদিও পেট্রোল বিক্রির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে শহরের ব্লক সভাপতি।

