হুগলি – সাত সকালেই কুমিরের আতঙ্ক শ্রীরামপুরে মরা কুমির ভেসে উঠলো গঙ্গায়l শ্রীরামপুরের কালিবাবুর ঘাটের ঘটনাl স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে পুরসভাকে খবর দেয়, তাদের দাবী গঙ্গায় এতদিন স্নান করছি কখনো নজরে আসেনি কিন্তু এই কুমির দেখে এবার আতঙ্ক লাগছেl এরপর স্নান করতে নামবো কিনা টানিয়ে যথেষ্ট চিন্তিতl পুর কর্তৃপক্ষ বনদপ্তররে খবর দেয়, পরে বনদপ্তর এর কর্মীরা এসে মৃত কুমিরটিকে উদ্ধার করে নিয়ে গেছেl গঙ্গা স্নানে

আরও খবর :- আসানসোল- নির্বাচন যত ই এগিয়ে আসছে তত ই পারদ চড়ছে রাজনৈতিক মহলে।
নির্বাচন যত ই এগিয়ে আসছে তত ই পারদ চড়ছে রাজনৈতিক মহলে। অভিযোগ এবং পাল্টা অভিযোগের তির ছুটছে আসানসোলের রাজনৈতিক মহলে। শুরু হয়েছে ঠান্ডা লড়াই। এবার বিতর্ক ছড়িয়েছে আসানসোল মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন হোর্ডিং ও টেন্ডারের বাকি টাকা কে নিয়ে। প্রাক্তন মেয়র তথা বর্তমানে বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তেওয়ারী সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ জানাচ্ছেন। ঠিক পাল্টা.. বর্তমানের প্রশাসক অমর নাথ চ্যাটার্জি ও সাংবাদিক সম্মেলন করে বাস্তব টা বলছেন। আসুন শুনে ঠিক কে কি বলছেন .

প্রসঙ্গত নির্বাচনের আগেই আসানসোল মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনে দুর্নীতি অথবা টাকা বাকি নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন তুলেছেন আসানসোলের প্রাক্তন মেয়র তথা বর্তমানের বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তেওয়ারী। প্রশ্ন তুলেছেন যে টাকা না দিয়ে কিভাবে হোর্ডিং আর পার্কিং চলছে ? তিনি সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন প্রায় 3 কোটি টাকা বাকি আছে। অথচ কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন ? । পরোক্ষ ভাবে বুঝিয়ে দেন যে বেশ কিছু বড় মানুষের ছবি দিয়ে দুর্নীতি ঢাকার চেষ্টা চলছে। ভবিষ্যৎ বাণী করেন..যে এবার দোষ ঢাকতে নির্বাচন ঘোষণা ই হচ্ছে হাতিয়ার।
বাম আমলের পরেও বেশ কয়েকবার বোর্ড পরিবর্তন হয়েছে।
অপর দিকে সমানে সমানে সাংবাদিক সম্মেলন করে আসানসোল মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের প্রশাসক বলেন টাকার অংক জিতেন বাবু ঠিক জানেন না। বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে মানুষের মধ্যে। হোর্ডিং পার্কিং নিয়ে যে সমস্যা রয়েছে তা মেটানোর পর্ব শুরু হয়ে গেছে। যারা সরকার কে টাকা দেন নি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশাসক আমার নাথ চ্যাটার্জি জানান…আসানসোল মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের অন্তর্গত শুধু মাত্র আসানসোলে ই বৈধ হোর্ডিং আছে। বাকি রানীগঞ্জ এবং কুলটির সব হোর্ডিং ই অবৈধ। নতুন টেন্ডার হচ্ছে। তবে এই অবৈধ হোর্ডিং বাম আমলের সময় থেকেই আছে।
নেই মুসকানের হাসি । বন্ধু চল। বৃদ্ধাশ্রমে আধার। প্রশাসক
প্রশ উঠেছে ..বাম আমলের পরেও বেশ কয়েকবার বোর্ড পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু সেখানেও ব্যবস্থা নেওয়া হয় নি কেন ? যদিও প্রশাসক জানান..বিষয়টা সে ভাবে হয়ত গুরুত্ব পায় নি।
আরও খবর :- জলপাইগুড়ি:- প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির জেলা সম্মেলন মঞ্চ থেকে সমিতির রাজ্য সভাপতি অশোক রুদ্র জানান
এবার পৌরসভা নির্বাচন থেকে পঞ্চায়েত তারপর ২৪-এর লোকসভা নির্বাচন কে মাথায় রেখে কাঁধে তৃনমূলের পতাকা নিয়ে প্রাথমিক, মাধ্যমিক শিক্ষক থেকে কলেজের অধ্যক্ষকে ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশ তৃনমূল প্রভাবিত প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির রাজ্য সভাপতি অশোক রুদ্র থেকে জেলা সভানেত্রী মহুয়া গোপের।
বাকি শিক্ষকদের দাবি দেওয়ার বিষয় মন্ত্রীরা দেখে নেবে।

পাশাপাশি, অশোক রুদ্রর বার্তা আগের সরকার শিক্ষকদের জন্য কিছুই করেনি।
কিন্তু, বিগত ১১ বছরে শিক্ষক দের জন্য যে ধরণের উন্নয়ন করেছে সেগুলো এবার শিক্ষক দের প্রচার করতে হবে বাড়ি-বাড়ি গিয়ে। এই বার্তাকে নিন্দা করে শিক্ষক দের অপমান করা হচ্ছে বলে তোপ দাগল বিজেপির শিক্ষক সংগঠন।
জলপাইগুড়ির আর্ট গ্যালারিতে তৃনমূল প্রভাবিত পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির জেলা সম্মেলন মঞ্চ থেকে সমিতির রাজ্য সভাপতি অশোক রুদ্র জানান, আসন্ন নির্বাচনে তৃনমূলের মূল সংগঠনের নেতৃত্বের নির্দেশ মতো আসন্ন পৌর নির্বাচনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে সকলকে।
আমরা এবারে শিক্ষকদের মূল কমিটিতে যুক্ত করে কাজ করবো।
ক্যামেরার মুখোমুখি হয়ে অশোক রুদ্র বলেন তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার শিক্ষক সমাজ সহ গোটা রাজ্যবাসীকে তার বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ঢেলে সুবিধা দিয়েছেন। আসছে পৌরসভা নির্বাচন। তাই সেইসব জনহিতকর প্রকল্পগুলিকে সামনে রেখে বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিক্ষক সমাজকে ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রচার করতে হবে।
রাজ্য সভাপতির মন্তব্যকে সমর্থন জানিয়ে তৃনমূলের জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি মহুয়া গোপ বলেন, শিক্ষকদের আলাদা একটা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তাই, আমরা এবারে শিক্ষকদের মূল কমিটিতে যুক্ত করে কাজ করবো। আমরাও চাই শিক্ষকেরা রাস্তায় নেমে পতাকা হাতে নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মমতা ব্যানার্জীর বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক প্রকল্পের প্রচার করুক।
ঘটনায় বিজেপির বঙ্গীয় নব উন্মেষ প্রাথমিক শিক্ষক সংঘের জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক জয়ন্ত কর বলেন, কুড়ি মাস পর স্কুল খোলার একটি পদ্ধতি শুরু হয়েছে। রাজ্য সরকারের স্কুল খোলার কোনো ইচ্ছে নেই, তাই শিক্ষকদের দিয়ে বাড়ি-বাড়ি গিয়ে ভোট-প্রচার শুরু করতে চাইছে, রাজ্য সরকারের মুখ নেই ভোট চাওয়ার, পুরসভা গুলোর ভোট হয়নি। পরিষেবা তলানিতে এসে ঠেকেছে।
তাই এখন শিক্ষকদের দ্বারস্থ হয়েছে ভোট ভিক্ষে করতে, এটা নির্লজ্জতা। পড়াশোনার বদলে ভোট চাইবে, শিক্ষকরা পতাকা বহন করবে, এটা শিক্ষকদের অপমান করা, যেটা অভিভাবক সমাজ মেনে নেবে না, এটাকে আমরা ধিক্কার জানাই৷
গঙ্গা স্নানে সাবধান
আরও খবর :- কুলতলি- ভাবতে পারেন হটাৎ আপনার এলাকায় বাঘ?
ভাবতে পারেন হটাৎ আপনার এলাকায় বাঘ? আপনার ধান ক্ষেতে বা চাষের জমিতে বাঘ? বাঘের পায়ের ছাপ ? ঠিক কি অনুভূতি হতে পারে সাধারণ মানুষের ? আসুন এমন ই এক ঘটনার ছবি দেখাই আপনাদের।

বাঘ খোঁজার ছবি। বাঘের পায়ের ছাপ দেখে প্রস্তুতি। কুলতলী মইপিট কোস্টাল থানার অধীন ভুবনেশ্বরী এলাকায় বাঘের পায়ের ছাপ দেখে আতঙ্কিত।ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার সকালে ধান জমির পাশে বাঘের পায়ের ছাপ দেখে সাধারণ মানুষ মনে করছে গ্রামের এই ধান জমির মধ্যে বাঘ ঢুকে রয়েছে ।
এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায় ।ঘটনাস্থলে কোস্টাল থানার আধিকারিক এর উদ্যোগে এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে সাথে সাথে সাধারণ মানুষদের কে আশ্বস্ত করা হচ্ছে যাতে অযথা বিভ্রান্তি এবং দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলছে বনদপ্তর আধিকারিকরা। কোস্টাল থানার পুলিশ ও বনদপ্তর আধিকারিকরা গ্রামজুড়ে তল্লাশি শুরু করেছে।

