পূর্ব বর্ধমান:-
কাঁদতে কাঁদতে বললেন– হয় টাকার ব্যবস্থা করুন, না হলে একটু বিষ কিনে দিন।
উলেখ্য দীর্ঘ চার মাস বার্ধক্য ভাতা না পেয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন একজন আদিবাসী বৃদ্ধা। বিপাকে পড়া মংলি মান্ডির বাড়ি কালনা -২ ব্লকের বৈদ্যপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ওসমানপুর গ্রামে। তিনি কালনা-২ বিডিও দেবল কুমার উপাধ্যায়ের নিকট অভিযোগ জানান।

বৃদ্ধা এদিন কাঁদতে কাঁদতে বলেন– হয় টাকার ব্যবস্থা করুন, না হলে একটু বিষ কিনে দিন। জানা গেছে– বৃদ্ধার ওসমানপুর গ্রামে একটি ব্যাংকের গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে অ্যাকাউন্ট আছে। প্রতিবারই সেখানে টাকা তুলতে গেলে আধার লিঙ্ক করানোর পর বলা হয় আপনার টাকা ঢোকেনি। এইভাবে চার মাস ব্যাংক গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্র থেকে একই কথা শোনার পর বাধ্য হয়ে তিনি বিডিও- র নিকট যান। বিডিও দেবল কুমার উপাধ্যায় সাংবাদিকদের জানান– প্রতি মাসে মাসে উনার একাউন্টে টাকা পাঠানো হয়েছে। কি হয়েছে ব্যাপারটি খতিয়ে দেখতে হবে।
শালিমার
রেলের চাকায় এ এক আশ্চর্য ঘটনা। শুনলে চমকে উঠবেন। বাড়ির বাইরে অথবা পার্কিং এ মোটরবাইক এ চেন তালা লাগাতে অহরহ দেখা যায়। আবার বাড়ির বাইরে চুরির ভয়ে কোথাও কোথাও চার চাকা গাড়ি বা দু চাকা তেও চেন তালা লাগানো থাকে।

কিন্তু কখনো দেখেছেন ..ট্রেনের চাকা তে চেন তালা লাগানো হয়। হ্যাঁ এমন ই ছবি দেখাব আপনাদের। কারন শুনলেও আঁতকে উঠবেন। ধেয়ে আসছে ঝড়। জাওয়াদ। ঝড়ের কারণে যাতে ট্রেন গড়িয়ে না যায় সে কারণেই রেলের চাকা মোটা চেন দিয়ে বেঁধে তালা লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ঘটনা শালিমার রেল ইয়ার্ডের। উড়িষ্যা অন্দ্রের উপকূলে আছড়ে পড়বে ঝড়। যার প্রভাব পড়তে পারে বাংলায়। তাই দক্ষিণ পূর্ব রেলের পক্ষ থেকে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যাতে ঝড়ো হওয়ায় ট্রেন গড়িয়ে না যায়। শুধু তাই নয়, বাতিল করা হয়েছে বেশ কিছু ট্রেন। রিজার্ভেশন টিকিটের টাকা বাতিলের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
দুর্গাপুর
পুলিশ,সেনাবাহিনীতে চাকরির শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষায় কিভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে তা নিয়ে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের উদ্যোগে দুর্গাপুরে শুরু হল বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবির।

দুর্গাপুর : সাতসকালে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে যুবকরা।উদ্যেশ পুলিশ আর সেনাবাহিনীর চাকরির মেডিকেল পরীক্ষায় কিভাবে হয় তার প্রশিক্ষণ। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের নিউটাউনশীপ থানার উদ্যোগে শুক্রবার সকালে এম. এ. এম. সি টাউনশিপের একটি মাঠে এই প্রশিক্ষনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। যাতে করে পুলিশ, সেনাবাহিনীর চাকরিতে মেডিকেল পরীক্ষার কিভাবে হয় তার একটা সম্যক ধারণা দেওয়া। মূলত পুলিশ সেনাবাহিনীতে মেডিকেল পরীক্ষাটাই হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ।তাই শারীরিক সক্ষমতার এই গন্ডি পেরোতে পারলেই বাজিমাত।
মিলে যাবে সরকারী চাকরির শীলমোহর। শারীরিক সক্ষমতার এই পরীক্ষায় অভিজ্ঞতা না থাকায় অনেক সময় সরকারী চাকরির শিকে ছেড়েনা বেকার যুবকদের। আর ঠিক এই জায়গা থেকে দুর্গাপুরে নিউটাউনশীপ থানার উদ্যোগে শুক্রবার সাতসকালে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। আবার অনেক সময় পুলিশ সেনাবাহিনীর চাকরির শারীরিক সক্ষমতার এই পরীক্ষায় প্রতারণার জালে পড়তে হয় বেকার ছেলে মেয়েদের। প্রতারকদের পাতা ফাঁদে যাতে কোনোভাবেই এই বেকার ছেলেমেয়েরা না পড়ে যায় তার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
রেলের চাকায় তালা, রাজ্যের অবাক করা খবর
আরও খবর :- মাধ্যমিক বানান কি? ঝিলিক পারবে
এসিপি ধ্রুবজ্যোতি মুখোপাধ্যায় জানান, আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের উদ্যোগে যেমন নানারকম সচেতনতার উদ্যোগ নেওয়া হয় ঠিক তেমনি পুলিশ সেনাবাহিনীর চাকরিতে কিভাবে শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষার কিভাবে হয় তার জন্য বেকার যুবকদের নিয়ে প্রশিক্ষণ শুরু করলো পুলিশ। যাতে করে একটা অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে পারে যুবকেরা। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বেকার যুবকেরা। কিন্তু সত্যি সত্যি করে পুলিশের চাকরির লাইনে দাঁড়াতে পারলে খুব খুশি হতাম বলে মন্তব্য এই বেকার যুবকদের।
আতঙ্ক
আতঙ্কের আরেক নাম দুর্গাপুরের সরকারি মহাবিদ্যালয়ের পাশের রাস্তা। ফের মৌমাছির কামড়ে শুক্রবার সকালে আক্রান্ত এক পৌঢ়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা। দুর্গাপুরের সরকারি মহাবিদ্যালয়ের পাশে প্রতিনিয়ত মৌমাছির কামড়ে আক্রান্ত হচ্ছে বহু মানুষ। শুক্রবার সকালে ফুলঝোর এলাকা থেকে BOGL কলোনি এলাকায় এক ব্যক্তির বাড়িতে কাজে যাচ্ছিলেন বৈদ্যনাথ রায় নামে ওই পৌঢ়। সরকারি মহাবিদ্যালয়ের পাশের রাস্তায় আচমকা এক ঝাঁক মৌমাছি ওই পৌঢ় গোটা শরীরে বিঁধে ধরে কানের ভেতর ঢুকে যায় মৌমাছি। যার জেরে ওখানেই পরে যায় ওই পৌঢ়। উদ্ধার করে পাশের ক্লাবে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে স্থানীয়রাই দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে। স্থানীয়রা অভিযোগ করছে প্রতিনিয়ত যদি এভাবে মৌমাছির দাপট বাড়তে থাকে তাহলে তারা বাড়ি থেকে বেরোবে কি করে। বাচ্চারা স্কুলে যাবে কি করে। সব মিলিয়ে এখন আতঙ্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে দুর্গাপুরের সরকারি মহাবিদ্যালয়ের পাশের রাস্তা। স্থানীয় ২৩নং ওয়ার্ডের পুরপিতা দেবব্রত সাঁই জানান তিনি উদ্বিগ্ন এই মৌমাছির জ্বালায়। দুর্গাপুর নগর নিগম এবং বনদপ্তর যৌথভাবে কিভাবে এই মৌমাছিগুলিকে সরানো যায় সেই ব্যবস্থা করবে বলে তিনি জানান।

