Saturday, April 25, 2026

কেন হেলমেট পড়ি না

আসানসোল

কেন হেলমেট পড়ি না , আসানসোল শহর জুড়ে পুলিশের পক্ষ থেকে সচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা চলছে। বাইক চালাতে হেলমেট মাস্ট। কিন্তু কি ছবি ধরা পড়ছে আমাদের ক্যামেরায়?

কেন হেলমেট পড়ি না

পুলিশ বাবু খুঁজছেন। হাঁটছেন। অনেক গাড়ির ভিড়ে এদিক ওদিক করে বিনা হেলমেট চালক কে ধরছেন….বকছেন..বোঝাচ্ছেন। কিন্তু কোথায় কি ?

এ ছবি আসানসোলের ব্যস্ততম ভাগৎ সিং মোড়ের। একজন বলেছেন, পাশেই তো বাড়ি তাই হেলমেট পড়িনি। কিন্তু পুলিশের লোক ও তো পরে না। আর একজনের কথা, হেলমেট এ গরম লাগে তাই গাড়িতে ঝুলছে। পড়েছিলাম। এখন পড়িনি। বাইকের চারদিকে পুলিশ লেখা গাড়ির চালক বলছেন, ওই তো মিষ্টির দোকানের পাশে হেলমেট রাখা আছে। নিয়ে নিচ্ছি।

এক মহিলা জানান.. সামনেই থাকি, তেল ভরতে যাচ্ছি। তাই পড়িনি। আছে হেলমেট আছে। ডিকি তে আছে। সিগন্যালে আটকে থাকা যুবক বলে…সরি স্যার…আর হবে না.

কেন হেলমেট পড়ি না

আরও খবর :-
পুরুলিয়া – শীত পড়তেই পর্যটকদের ঢল অযোধ্যা পাহাড়ে। ডিসেম্বরের শুরু থেকে খুলে গেল অযোধ্যা পাহাড় তথা রাজ্যের অন্যতম আকর্ষণীয় জায়গা বামনী ফলস।

করোনার কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ১লা ডিসেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হল অযোধ্যা পাহাড়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ টুরিস্ট স্পট বামনি ফলস। বামনি ফলসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পুরুলিয়া জেলা বনাধিকারীক দেবাশীষ শর্মা।জেলা বনাধিকারিক জানান। সৌন্দর্যায়নের জন্য দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বামনি ফলসের উদ্বোধন করা হলো। যেখানে পর্যটকরা আনন্দ পাবেন। পর্যটককে কথা মাথায় রেখে করা হয়েছে শৌচাগার। এছাড়াও পরবর্তী সময়ে আরো উন্নত করা হবে অযোধ্যা পাহাড় ও বামনি ফলসকে। যাতে স্থানীয় সমস্যা না থাকে তাই সকলের সাথে কথা বলেই সমস্যা মেটানো হবে

এদিকে উদ্বোধনের পর থেকেই এলাকায় কারা দোকান বাজার বসাবে সে নিয়ে পাহাড়ের আদি বাসিন্দা এবং বাড়েরিয়া, পাথরডি সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে বামনি ফলসের পাড়ে দোকান খোলা নিয়ে শুরু হয়ে গেছে কাজিয়া।এলাকায় কারা আদি বাসিন্দা ?কারা দোকান বাজার বসাবে সেই নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হওয়ায় বেশ চাপে স্থানীয় প্রশাসন সহ বন দফতর। বামনী ফলস চালু হলে দোকানদারদের জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে গন্ডগোলের আশঙ্কায় কড়া পুলিশী মোড়কে উদ্বোধন করা হয় বামনি ফলসের।

ডিসেম্বরের শুরু থেকে খুলে গেল অযোধ্যা পাহাড় তথা রাজ্যের অন্যতম আকর্ষণীয় জায়গা বামনী ফলস।

বিষয়টি নিয়ে অযোধ্যা পাহাড়ের বামনী ফলস এলাকার গ্রামের গ্রাম সভার সদস্য জ্যোতির্ময় হাঁসদা ও নমিতা হাঁসদারা জানান। ২০০৬সালের জল জঙ্গল ভূমি আইন অনুযায়ী আমাদের জঙ্গলে আমাদের কর্ম সংস্থানের সুযোগ দিতে হবে। যদিও বিষয়টি নিয়ে বাড়েরিয়া ও পাথরডি সুরক্ষা কমিটির সম্পাদক অজয় কুমার জানান। বামনি ফলস আমাদের এলাকার মধ্যে। এখানে দীর্ঘদিন ধরে এই গ্রামের মানুষ ব্যাবসা করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। তাই আমাদের দাবি যে সকল ব্যাক্তি এই বামনি ফলসে দোকান করে আসছিল তাদের পুনরায় দোকান খোলার অনুমতি দিতে হবে।দাবি না মানা হলে উভয় পক্ষই আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

পরে উভয় গ্রামের বাসিন্দাদের সাথে আলোচনার পর উদ্বোধনের কাজ সম্পন্ন হয়। উদ্বোধন ঘিরে কড়া পুলিশী নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হয় এলাকা। উপস্থিত ছিলেন ঝালদা মহকুমা শাসক রিতম ঝা, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সুব্রত দেব, বাগমুন্ডি ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক দেবরাজ ঘোষ অযোধ্যা পাহাড়ের বনদপ্তর আধিকারিক মনোজকুমার মল্ল সহ অন্যান্যরা।

শীত পড়তেই নভেম্বর মাস থেকে পর্যটকরা ভিড় জমান অযোধ্যা পাহাড়ে। পাহাড়ে অন্যান্য টুরিস্ট স্পট থেকে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বামনী ফলস। কিন্তু একদিকে করোনা এবং অন্যদিকে সৌন্দর্যায়নের কারণে বামনী ফলস দীর্ঘ দু বছর বন্ধ রাখা হয়। ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই বামনি ফলস খুলে যাওয়ায় এবার অযোধ্যা পাহাড় ভ্রমণের বাড়তি আনন্দ নিতে পারবেন দূরদূরান্তের পর্যটকরা।

আরও খবর :- কিন্তু শীতের মরসুমে নলেন গুড়ের মণ্ডা অন্যান্য মিষ্টির তুলনায় চাহিদার শীর্ষে থাকে।

বর্ধমান

শীত পড়তেই চাহিদা বেড়েছে নলেন গুড়ের মণ্ডা ও রসগোল্লার। ছানার সঙ্গে নলেন গুড় ও অল্প পরিমাণ চিনির মিশ্রণে নলেন গুড়ের রসগোল্লা ও মণ্ডা মন কেড়েছে মিষ্টি প্রিয় ভোজন রসিক বাঙালির।

বর্ধমান বোলপুর টু বি জাতীয় সড়কের আউসগ্রামের বড়া চৌমাথার মণ্ডা, এমনিতেই যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছে। বর্ধমানের সীতাভোগ, মিহিদানা, শক্তিগড়ের ল্যাংচার পাশাপাশি বড়া চৌমাথার সুস্বাদু মণ্ডার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে জেলা ছাড়িয়ে ভিন জেলার নানান প্রান্তে। কলকাতা থেকে তারাপীঠ বা বোলপুর শান্তিনিকেতন যাওয়ার পথে জাতীয় সড়কের বড়ার চৌমাথায় অনেকেই দাঁড়িয়ে পড়েন খাস্তা মণ্ডার টানে। পর্যটকরা দোকানে বসে খাওয়া-দাওয়ার পাশাপাশি বাড়ির জন্য এই সুস্বাদু মুণ্ডা নিয়েও যান।

আরও খবর :- পানীয় জলের সমস্যা সমাধানে মন্ত্রী

অসাধারণ মণ্ডার লোভ সামলাতে পারে না এলাকাবাসী সহ দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষজন ।

বড়া চৌমাথার মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী সুশান্ত ঘোষ ও মনা লাহা জানান, সারা বছরই বড়া চৌমাথার সুস্বাদু মণ্ডার বিক্রি ভালোই হয় । কিন্তু শীতের মরসুমে নলেন গুড়ের মণ্ডা অন্যান্য মিষ্টির তুলনায় চাহিদার শীর্ষে থাকে।

মণ্ডা তৈরি করতে লাগে ছানা, নলেনগুড় ও অল্প পরিমাণে চিনি। কাঠের হাতার মাধ্যমে পাক দিতে হয়। ঠিকমতো পাক দিতে না পারলে মণ্ডা তৈরি করা খুবই কঠিন। ফলে পাক দেওয়ার সময় কারিগররা তীক্ষ্ণ নজর রাখে। পাক তৈরি হয়ে গেলে একটি কাঠের পাটার ওপর আছাড় মেরে গোলাকার আকৃতি করা হয় । তারপর একটু শুকিয়ে গেলে দুটো খণ্ড একত্রিত করে তৈরি হয় মণ্ডা। জেলা তো বটেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় মণ্ডা তৈরি হলেও বড়া চৌমাথার মণ্ডার স্বাদ অনেকটাই ভিন্ন ধরনের। মুখে দেওয়া মাত্রই সন্দেশের মতো মিলিয়ে যায়। তবে নলেন গুড়ের অসাধারণ মণ্ডার লোভ সামলাতে পারে না এলাকাবাসী সহ দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষজন ।

আরও খবর :- প্রায় ৩১ কিলো ৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার হয়। যার বাজারমূল্য প্রায় ৩ লক্ষ টাকা।

দুর্গাপুর

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় কোকওভেন থানা অন্তর্গত সুকুমার নগর এলাকার অভিজিৎ সরকার নামে ব্যক্তিকে ধরে কোকওভেন থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত ব্যক্তির নাম অভিজিৎ সরকার ওরফে ঝন্টু। শ্যামপুরে ভাটা এলাকার বাসিন্দা। গতকাল কোট,টাই পড়ে ওড়িশা থেকে বাসে করে দুর্গাপুর ফেরে সঙ্গে ছিল দুটি ট্রলি ব্যাগ। ধৃতের থেকে প্রায় ৩১ কিলো ৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার হয়। যার বাজারমূল্য প্রায় ৩ লক্ষ টাকা। আজ বৃহস্পতিবার ধৃতকে ৭ দিনের পুলিশি হেফাজতে চেয়ে আসানসোল কোর্টে পেশ করে কোক ওভেন থানার পুলিশ।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

3,425FansLike
5,491FollowersFollow
2,341FollowersFollow
5,439SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles