Coal scam cbi..New name@asansol councillors
কয়লা পাচার কাণ্ডে কোন কোন কাউন্সিলর দের নাম উঠে আসার সম্ভাবনা: সূত্র
অবৈধ কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্তে এই মুহূর্তে তৎপর সিবিআই, সি আই ডি, ই ডি। নিত্যদিন আসানসোল আদালত চত্বরে অভিযুক্তদের নিয়ে আসা আবার নিয়ে যাওয়া। আনাগোনা সিবিআই বা সি আই ডি অফিসারদের। সেখানেও নজরে আসানসোল। সূত্রের খবর ই ডি এর নজরে এবার আসানসোল এর কাউন্সিলর রা ! চার জন কাউন্সিলর কে ই ডি এর তলবের সম্ভাবনা বলে সূত্রের খবর। তবে কারা এরা ?
প্রসঙ্গত, আসানসোল ঝাড়খন্ড পুরুলিয়ার সীমান্ত। এখানে রয়েছে প্রচুর কয়লাখনি। কেন্দ্র সরকারের আওতাধীন শ্রীপুর এরিয়া, সোদপুর এরিয়া, সহ বেশ কিছু এরিয়া। আর এরিয়ার অন্তর্গত ভানোৱা কয়লাখনি, শ্রীপুর কয়লাখনি, কালীপাহারি, সোদপুর,বনজেমারী, নিতুরিয়া, দুবেশ্বরী সহ বেশ কিছু কয়লাখনি। আবার সেই রকম ই রয়েছে প্রচুর অবৈধ কয়লাখনি ও। এর এই অবৈধ কয়লা পাচারের কিং পুরুলিয়ার মানুষ।
উল্লেখ্য ..কয়লা পাচার মামলায় ইতিমধ্যে ই সিবিআই এর হাতে অভিযুক্ত আট জন ই সি এল আধিকারিক জেল কাস্টডি তে। আসানসোল এলাকার প্রায় বেশ কিছু কয়লা ব্যবসায়ী এবং আধিকারিকদের নামে চার্জশিট পেশ করেছে সিবিআই।
দেখুন ভিডিও 👇
পড়ুন…আসতে পারে কাদের নাম
অপর দিকে আসানসোলের জামুড়িয়া এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলা থেকে পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সি আই ডি। মঙ্গলবার ও দিল্লি থেকে আর এক কয়লা ব্যবসায়ী কে আসানসোল আদালতে হাজির করেছে সি আই ডি।
সূত্রের খবর দিল্লির ই ডি অফিসে কয়লা পাচার নিয়ে বৈঠক ও হয়েছে। উঠে এসেছে আসানসোলের চার কাউন্সিলর এর নাম।
কিন্তু কারা তারা ?
1. যারা সরাসরি কয়লার সঙ্গে হয়ত যুক্ত তারা হতে পারেন।
2.যারা কয়লা পাচারে হয়ত সাহায্য করতেন তারা হতে পারেন।
3. যাদের সঙ্গে কয়লা পরিবহন কারীদের যোগাযোগ হয়ত ছিল তারা হতে পারেন।
4.এই ব্যবসার মাধ্যমে যারা হয়ত অপার সম্পত্তি করেছেন তারা হতে পারেন।
সূত্রের খবর..নজর রয়েছে তাদের দিকেও যাদের হটাৎ করে অনেক সম্পত্তি গাড়ি বাড়ি হয়েছে তাদের দিকে বলে সূত্রের খবর।
তবে সূত্রের খবর এও… যে শুধুমাত্র কয়লার সঙ্গে যুক্ত বা অনেক সম্পত্তি হয়েছে সেদিক ছাড়াও অবৈধ কয়লার লেনদেন বা আর্থিক লেনদেন অথবা অবৈধ কয়লার টাকা কার কাছে থাকতে পারে সেদিকেই নজর পড়েছে বলে সূত্রের খবর।
আরো পড়ুন …কারা সিবিআই হেফাজতে কারা ই বা সিআইডি হেফাজতে
শুধু তাই নয়…রাজ্য বা কেন্দ্র নয়। প্রভাবশালী কেন্দ্রের বা রাজ্যের দিকেই নজর রয়েছে বলে খবর।
তবে তদন্ত এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে এবার কাউন্সিলর দের নাম ও উঠে আসছে বলে সূত্রের খবর।
প্রসঙ্গত, আসানসোল মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের শ্রীপুর, জামুড়িয়া, আসানসোল দক্ষিণের কালীপাহারি, ঘুসিক, আসানসোল উত্তরের কাল্লা, পরিরা, মাজিয়ারার এক অংশ, কে ডি সিম এলাকা, বারাবনি এর এক অংশ, সোদপুর, চিনাকুড়ি, সীমান্ত, বরীরা, কুলটি , রানীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ কয়লার ব্যবসার ছবি ধরা পড়েছে বার বার। এ সব এলাকা ই কোনো না কোনো ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত। এখন দেখার, সেই এলাকা তো বটেই তবে তার সূত্র ধরে শহর পর্যন্ত পৌঁছে যাবে না তো নাম গুলো। সবটাই তদন্ত সাপেক্ষ।

