MLA RAID AT RIVER DAMODAR নদীতে হানা ..অবৈধ বালি ব্যাবসার অভিযোগ
নদী গর্ভ থেকে তুলে নেওয়া হচ্ছে বালি। যে কোনো সময়ে হতে পারে বিপদ। বান এলে ভেসে যেতে পারে এলাকা। তবু প্রকাশ্য দিবালোকে চলছে বালির ব্যবসা। ট্রাক্টরে করে ওভার লোড বলি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আর সেখানেই হটাৎ হানা আসানসোল দক্ষিণের বিধাইকা অগ্নিমিত্রা পাল ও বাঁকুড়ার বিধাইকা চন্দনা বাউড়ির। পশ্চিম বর্ধমান জেলার হিরাপুর এলাকা দিয়ে বয়ে চলা দামোদর নদীর একদিকে আসানসোল আর ওপর দিকে বাঁকুড়া। দুই দিক থেকেই উত্তোলিত হচ্ছে বালি। রীতিমত মেশিন দিয়ে উত্তোলন করা হচ্ছে। হটাৎ বিধাইকা দের হানা তে চাঞ্চল্য বালি ব্যবসায়ীদের মধ্যে।
পড়ুন…কি ভাবে চলছে ব্যবসা
না। কাগজ আছে পরিবহন কারী ট্রাক্টরের চালকের কাছে। নাই বা থাকল রশিদ। চালান আছে। আবার সেই চালানে সময় ও লেখা আছে। কিন্তু তার কেয়ার কোথায়। সময়ের পরে ও কাজ চলছে এমন ই অভিযোগ অগ্নিমিত্রা পাল বা চন্দনা বাউড়ির। তাদের কথায়…সরাসরি যুক্ত আছে প্রশাসন। শুধু তাই নয়..পুলিশ কে টাকা দিতে গাড়ি পার করার অভিযোগ আনে অগ্নিমিত্রা। চন্দনার ও অভিযোগ তাই।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সকালে পাকা সেতুর দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন অগ্নিমিত্রা পাল ও চন্দনা বাউড়ি সহ সমর্থক রা। হটাৎ ই চোখ পরে নদীগর্ভে র বালি উত্তোলনের কাজ। আর রেহাই কোথায় ?
কেন ট্রাক্টর আটকাল এম এল এ রা
ভিডিও দেখুন 👇
সরাসরি ট্রাক্টরের কাছে পৌঁছে যায় তারা। যদিও ট্রাক্টর চালক বলতে পারেনি কত টন বালি পরিবহন করছে তারা। অথবা কাকে কোথায় কত টাকা দিতে হয়।
এর পরেই চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। বিক্ষোভ শুরু হয় বালির ব্যবসার বিরুদ্ধে। বেশ কিছুক্ষণ চলার পর দুটি ট্রাক্টর বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ বলে সূত্রের খবর।
যদিও আসানসোলের মেয়র বিধান উপাধ্যায় বলেন ..বন্ধ আছে বালির ব্যবসা। প্রশাসনের বা সরকারের পক্ষ থেকে বন্ধ আছে।
তবে অগ্নিমিত্রা বা চন্দনার দাবি..সরকার এবং প্রশাসনের সমর্থনে ই চলছে বালির ব্যবসা। দিনে রাত্রে প্রচুর পরিমানে বালি চুরি হয়ে যাচ্ছে। নদীর নাব্যতা কমছে। এবং শিগ্রহী বালি কে কেন্দ্র করে বড় আন্দোলনে নামতে চলেছে বিজেপি। এমনটাই জানান তারা। প্রশ্ন উঠেছে..বালির অবৈধ ব্যবসা বন্ধ থাকলে প্রকাশ্য দিবালোকে কি ভাবে ওভার লোড বালি পরিবহন হচ্ছে। কি ভাবে নদীর নাব্যতা কমে যাওয়া সত্ত্বেও মেশিন দিয়ে বালি তোলা হচ্ছে। একদিকে যেমন এলাকার বিভিন্ন জায়গায় জলের হাহাকার সে ক্ষেত্রে নদীকে বাঁচিয়ে রাখতে না পারলে আরো বড় বিপদের সম্মুখীন হবে সাধারণ মানুষ। এখন দেখার প্রশাসন কি ব্যবস্থা নেয়।

