পাস করে ফেল, না ফেল করে পাস, বিক্ষোভ, উত্তেজনা, শিক্ষক মহাশয় কিছু ই জানেন না। হাতে মার্কশিট নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিকের মেয়েরা চিৎকার করছে। বলছে এই রেসাল্ট মানছি না মানব না। গলা মিলিয়েছে অভিভাবকরাও। বলছেন আবার পরীক্ষা নিতে হবে। বিক্ষোভ চলছে স্কুলের মধ্যে। হাতে মার্কশিট। মেয়েরা দেখাচ্ছ মার্কশিট ফেল লেখা হয়েছে। অথচ পাস মার্ক্স দেওয়া ও আছে। হ্যাঁ এমন ই ঘটনা পরিলক্ষিত হল উত্তর আসানসোলের ধাদকা নারায়ণ চন্দ্র লাহিড়ী বিদ্যমন্দিরে। শিক্ষক দের ঘিরে বিক্ষোভ, চিৎকার। হাতে মার্কশিট নিয়ে ভবিষ্যৎ জানতে চাইবার আর্জি স্কুলের সহ প্রধান শিক্ষকের কাছে।
কিন্ত শিক্ষক মহাশয় পরিষ্কার করে কিছু ই বলতে পারলেন না। হাতে মার্কশিট পাবার পর এই মুহূর্তে ছাত্রী দের অবস্থান কোথায় , আদৌ তারা পাস করেছে না ফেল তাও পরিষ্কার হল না। যদিও ছাত্রীদের কথায় তাদের মার্কশিট এ নম্বরের জায়গায় পাস মার্ক্স দেওয়া আছে আবার নীচে ফেল লেখা আছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থার নেবার অস্সাস দিয়েছে। কিন্তু কার ভুলে এই ঘটনা। একটা নয় প্রায় 50 জন ছাত্র ছাত্রীর একই ঘটনা। কে নেবে দায়ভার।
সম্পুর্ন ভিডিও দেখতে সার্চ করুন ইউটিউব এ ” tsnm news”
শুধু ছাত্র ছাত্রী নয়। অভিভাবক রাও গলা মিলিয়েছেন তাদের সাথে। কি হবে তাদের সন্তান দের জীবন। উচ্চ মাধ্যমিকের রেসাল্ট বেরিয়েছে। মার্কশিট ও পেয়েছেন। কিন্তু পাস না ফেল তা পরিষ্কার নয়। কি ভাবে কাটবে এই ধোঁয়াশা। তাদের দাবি- পাস করাতে হবে সবাই কে, না হলে আবার পরীক্ষা নিতে হবে সবার। যদিও স্কুলের সহ প্রধানশিক্ষক দেবাশীষ বাবু এ ব্যাপারে কিছু ই পরিষ্কার করে বলতে পারছেন না। পরিষ্কার করে বলছেন না যে এই ছাত্রছাত্রীরা পাস করেছে আবার ও বলছেন না যে তারা ফেল করেছে।
পাস না ফেল শিক্ষক মহাশয় কিছু ই জানেন না
করোনা আবহে পরীক্ষা না হবার পরেও রেসাল্ট নিয়ে চরম বিপদে পড়েছে ছাত্রছাত্রী রা। সুরাহার কোনো জায়গা নেই। শুধু ই মিলছে অস্সাস। কিন্তু কার ভুল, কাকে বলতে হবে, কি করতে হবে , সব ই তাদের অজানা। প্রসঙ্গত মাধ্যমিক পরীক্ষায় 100 শতাংশ পাশের পর উচ্চ মাধ্যমিক ছাত্র ছাত্রী দের মধ্যে এক ধারণা জন্মেছিল যে সবাই পাস করবে। কিন্তু এ রকম ঘটনা ঘটবে তা ভাবনার বাইরে ছিল। সারা রাজ্যের বেশ কিছু স্কুলে এমন ই ঘটনার ছবি ধরা পড়ছে। অভিভাবকদের মতে করোনা আবহে কোনো পরীক্ষাই হয়নি বলে যেতে পারে। পরীক্ষা হলে হয়ত খারাপ রেসাল্ট ও নেক অপভোটে পারত। তাই বেনিফিট অফ ডাউটের আন্দোলনে নেমেছে তারা।

