আজকের বিশেষ – দুর্গাপুর – এ বাড়িতে আলো জ্বলে না। বছর দেড়েক ধরেই আলো জ্বলে না। বাড়ির নাম প্রীতি কুঠির। যেমন তেমন নয়। পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুরের প্রাণকেন্দ্র সিটি সেন্টার সংলগ্ন এক বাই ছয় নম্বর বাড়ি। আগাছা আর জঙ্গলে ঢাকা পড়েছে বাড়ি। গেটের তলায় লেগেছে জং। হ্যাঁ এই বাড়িতেই আলো জ্বলে না। কিন্তু হঠাৎ আলো জলল কি করে ? করা জ্বালালো আলো? কারা খুলল পিছন দিকের দরজা? কারাই বা বিছানা পাতল?
ভয়ে নাভিশ্বাস উঠছে এলাকা বাসীর। কেউ বলছেন অশরীরী আত্মা আবার কেউ বলছেন দুস্কৃতি। কিন্তু এ কথা সত্যি যে..বাড়িতে প্রায় দেড় বছর ধরে কেউ থাকে না। আলো জ্বলে না। অস্তিত বিলীন হতে চলেছে। তাহলে কি ভাবে ঘটছে এই ঘটনা? কি বলছেন এলাকাবাসী?
এক গা ছমছম করা পরিবেশ। দুর্গাপুরের প্রাণকেন্দ্র সিটিসেন্টার। এলাকার নন কোম্পানিতে আলাউদ্দিন খাঁ বীথির ১/৬নম্বর বাড়ী। টানা একবছরের বেশী সময় ধরে এই বাড়িতে কেউ থাকেনা, গোটা বাড়ী কার্যত ভুতুড়ে বাড়ির চেহারা নিয়েছে।শহরের প্রাণকেন্দ্রের এই হানবাড়ি আগাছা ঝোপ ঝাড়ে মুখ ঢেকেছে, আস্ত একটি বাড়ী যেন পোড়ো বাড়িতে পরিণত হয়েছে ।
খবরের খবর, আজকের বিশেষ
কিন্তু ভুতুড়ে এক কান্ড ঘটে গেল এই বাড়িতে।হটাৎ করে এই বাড়ির দোতালায় জ্বলে উঠলো আলো। আর আলোর এই ছটা দেখতে পেয়ে এক্কেবারে প্রাণ যায় যায় অবস্থা স্থানীয় দের। কেউ তো থাকেনা এই বাড়িতে, টানা দেড় বছরের বেশী সময় ধরে বন্ধ হয়ে রয়েছে এই বাড়ী।রক্ষনাবেখনের অভাবে আগাছাই ঢাকা পড়ে থাকা আস্ত এই বাড়িতে তাহলে কি কেউ এলো?

স্থানীয়রা যখন প্রীতিকুঠি নামে এই বাড়ির রহস্য উন্মোচনে ব্যাস্ত তখন অজানা এক আতঙ্ক যেন গোটা এলাকাকে গ্রাস করে বসে রয়েছে। তড়িঘড়ি ডাকা হয় স্থানীয় সিটিসেন্টার ফাঁড়ির পুলিশকে।শুধু প্রীতি কুঠি নয়, সিটিসেন্টারে নয় নয় নয় করে এইরকম অনেক বাড়ী রয়েছে যেগুলি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে, শুধু সিটিসেন্টার নয়, বিধাননগর, ইস্পাত নগরী সহ আরো বেশ কিছু এলাকা রয়েছে যেখানে অনেক বাড়ী তালাবন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে,রক্ষনাবেক্ষণের অভাবে কার্যত হানাবাড়ির রূপ নিয়েছে এই বাড়িগুলি।
আর এই ফাঁকা ঘরগুলি এখন দুষ্কৃতীদের টার্গেট, দরজা ভেঙে এই ঘরগুলিতে বসছে মদ জুয়ার ঠেক, বাড়ছে অসামাজিক কাজ, বাড়ছে দুষ্কৃতী দলের উৎপাত। অশরীরী কোনো আত্মা নয়, শরীরী দুষ্কৃতীরা রীতিমতো ত্রাস হয়ে দাঁড়িয়েছে সিটিসেন্টার এলাকার মানুষের কাছে। আর এদের হাত থেকে নিষ্কৃতি পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি করছে স্থানীয়রা। পুলিশ প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পুলিশ প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
আরও খবর :- তৃনাঞ্জন চট্টোপাধ্যায় / আসানসোল – ঝড় থেকে বাঁচতে মন্দিরে মন্দিরে পুজো
ধেয়ে আসছে জাওয়াদ। ভয়ে কাঁপছে আসানসোল। আর কিছু সময় পরেই আছড়ে পড়বে বাংলায়। ক্ষয় ক্ষতির আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। কিন্তু প্রকৃতি কে আটকাবে কে ? তাই ভগবান ইন্দ্রের শরণাপন্ন আসানসোল বাসী। পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের চন্দ্রচুর মন্দিরে রীতিমত ঢাক ঢোল বাজিয়ে ইন্দ্রদেব কে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করতে দেখা গেল মহিলাদের। হাতে ফল প্রসাদ নিয়ে পুরোহিত সঙ্গে রীতিমত পুজো ও হল। আবার ইন্দ্রদেব কে সন্তুষ্ট করার চেষ্টায় গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা পুজো করলেন এলাকাবাসী।
প্রসঙ্গত বিগত জশ এর সময় ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল আসানসোল বাসী কে। বিশেষত উত্তর আসানসোলের রামকৃষ্ণ ডাঙ্গা, মহল্লা, কাল্লা সহ বিভিন্ন মন্দির, জাতীয় সড়ক জলের তলায় চলে গিয়েছিল। ঘরছাড়া হয়েছিল বহু মানুষ। সে দিকে নজর রেখে প্রশাসন এর পক্ষ থেকে গতকাল থেকেই শুরু হয়েছে মাইকিং। চলছে এখনো। এলাকাবাসীর বক্তব্য.. কি ভাবে রক্ষা করবে নিজেদের ? বার বার প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিধস্ত হচ্ছে মানব জীবন। তাই এবার পুজোর প্রতি আস্থা রেখে মনের জোর বাড়াতেই এই সিদ্ধান্ত।

যদিও প্রশাসন এর পক্ষ থেকে সব ব্যবস্থা ই করা হয়েছে। রয়েছে উদ্ধারকারী দল, আসছে এন ডি আর এফ এর দল। তৎপর প্রশাসন। তবু ও মানুষের ভরসা চন্দ্রচুর মন্দির। ইন্দ্রদেব ই ভরসা।
এমন ই এক ওয়াটস আপ এ আসা বার্তা শোনাব আপনাদের।
নেই মুসকানের হাসি । বন্ধু চল। বৃদ্ধাশ্রমে আধার। প্রশাসক
আরও খবর :- খরদহ- ভাবতে পারেন ? দুদিকে রেল গেট। বন্ধ। মাঝে এক চার চাকা।
ভাবতে পারেন ? দুদিকে রেল গেট। বন্ধ। মাঝে এক চার চাকা। আর তার দু পাস দিয়ে হু হু করে ছুটছে মেল ট্রেন!! বন্ধ দুই রেল গেটের মাঝে রেলের ট্র্যাক। আবার ট্রাক এর মাঝে কিছুটা ফাঁকা জায়গা। সেখানেই দাঁড়িয়ে চার চাকা গাড়ি। গাড়ির গা ঘেষে ছুটছে ট্রেন। যে কোনো মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা। তবু ট্রেন ছুটছে।
হয় এমন ই ছবি ভাইরাল হয়েছে খরদহ স্টেশন সংলগ্ন 9 নম্বর রেল গেটে।
হাঁটছে মানুষ…দেখছে মানুষ…ট্রেন ও ছুটছে। আবার গাড়ি ও দাঁড়িয়ে আছে।
আসুন শুনে নি কি বলছেন রেলকর্মীরা।
আরও খবর :- ওয়াটস আপ সাবধান! ঘটতে পারে অনেক কিছু। খবর আসতে পারে
সাবধান! ঘটতে পারে অনেক কিছু। খবর আসতে পারে.. হয়ত আপনি জিতেছেন 25 লক্ষ টাকা। তাও আবার এমনি সেমনি নয়। কে বি সি অর্থাৎ কৌন বনেগা করোরপতি থেকে। শুনবেন হয়ত আপনার নম্বরে লটারি হয়েছে। পুরস্কার জিতেছেন আপনি। লটারির নম্বর ও দেওয়া থাকছে। যোগাযোগ করার নম্বর ও দেওয়া হচ্ছে। আবার কার সাথে যোগাযোগ করতে হবে বা কোন ব্যাংকে যেতে হবে তাও বলে দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই না..সম্পুর্ন ঘটনার বিবরণ আসছে ওয়াটস আপ এ। ব্যাকগ্রাউন্ড এ বাজছে কে বি সি এর মিউজিক।

এমন ই এক ওয়াটস আপ এ আসা বার্তা শোনাব আপনাদের।

