100 CR corruption এবার আসানসোল মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান এর নাম করে দুর্নীতির অভিযোগ আনলেন আসানসোলের 27 নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলর তথা আসানসোলের প্রাক্তন মেয়র জিতেন্দ্র তেওয়ারীর স্ত্রী চৈতালি তেওয়ারী। গত রবিবার তিনি তার বক্তব্য ভাইরাল করেন। যাতে পরিষ্কার ভাবে বলেন কর্পোরেশনের 100 কোটি টাকার সম্পত্তি মাননীয় চেয়ারম্যান অমর নাথ চট্টোপাধ্যায় বিক্রি করে দিচ্ছেন। চেয়ারম্যান নিজের বন্ধু কে বিনা টেন্ডারেই সম্পত্তি তুলে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন। শুধু তাই নয় নিজের ফেসবুক ওয়ালে এই কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে অমর নাথ চট্টোপাধ্যায় এর নাম ও লেখেন। এর পরেই শুরু হয় রাজনৈতিক চাঞ্চল্য।

আসানসোলের রানীগঞ্জের ব্লু চিপ নামক মার্কেট কমপ্লেক্স বিতর্ক কে কেন্দ্র করে সোমবার সকালে আসানসোল মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের আলোচনা হলে চেয়ারম্যান এক সাংবাদিক সাম্মেলন করেন। সেখানে তিনি সাফ জানিয়ে দেন অভিযোগ কারিনি এবং আসানসোলের বিজেপি নেতাদের শিক্ষার অভাব আছে। ভালো শিক্ষক ও পাচ্ছেন না। চারিদিকে বিজেপির যা অবস্থা, রেল বিক্রি হচ্ছে, উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে, রাজনৈতিক অবস্থাও খারাপ..তাই নজর ঘোরাতে এবং টিআরপি পেতে এই সব করছেন।

দেখুন…চেয়ারম্যান কি বলছেন
তিনি আরো বলেন অভিযোগ কারিনির স্বামী এই রকম বহু ঘটনা ঘটিয়েছেন। যার দায় নিতে হচ্ছে করপোরেশন কে। কেলট্রান , সিমকো থেকে শুরু করে বিনা টেন্ডারে বহু কাজ পাইয়ে দিয়েছেন। এখন সেই বিল গুলো আটকে রেখেছেন বর্তমান মেয়র। রানীগঞ্জ ব্লু চিপ প্রসঙ্গে চেয়ারম্যান অমর নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন ..এটা বাম আমলের প্রজেক্ট। কোনো কারণে মতানৈক্য হওয়ার কারণে ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়। সেই মামলাটি তে প্রতি ডেটে আসানসোল মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের খরচ হয় প্রায় 60000 টাকা।
100 CR corruption চৈতালির অভিযোগ পাল্টা অমর.. চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি
Minister মলয় ঘটকেই ভরসা.. উঠল কর্মবিরতি
কোর্ট কর্পোরেশন কে বলেছে কোর্টের বাইরে সমঝোতা করে নিতে পারে দুই পক্ষ। সেই হিসেবে এক জনকে কাজ দেবার চিন্তা ভাবনা হয়েছে। তাও এখনো কিছুই হয়নি। বোর্ড মিটিং এ প্রস্তাব রাখা হবে। সবাই মিলে সিদ্ধান্ত হবে। তবে চেয়ারম্যান এও বলেন যে তিনি নীতি নির্ণায়ক নন। নির্ধারণ করবে কাউন্সিলর রা। সেখানে কারোর অসুবিধা থাকলে জানাবে। যদিও চেয়ারম্যান এর বিরোধিতায় নেমেছে কংগ্রেস।

পড়ুন…কি বলছে কংগ্রেস
কংগ্রেস নেতা গুলকম সর্বার জানান..চেয়ারম্যান এর এত কিসের ইন্টারেস্ট যে এক ব্যক্তিকেই দিতে হবে। টেন্ডার কেন করা হচ্ছে না। যাকে কাজ দেওয়া হচ্ছে সে কর্পোরেশন কে 30 শতাংশ শেয়ার দেবে। কিন্তু টেন্ডার করলে তো এমন ও কাউকে পাওয়া যেতে পারে যে 40 শতাংশ দেবে। এখানে এত ইন্টারেস্ট কিসের ? বিশেষত বাম আমলের তৈরি হওয়া এই মার্কেট কমপ্লেক্স তৃণমূলের সময়ে তোলপাড় করেছে রাজনৈতিক মহলে। জিতেন্দ্র তেওয়ারীর স্ত্রী রাজ্যের প্রিন্সিপ্যাল সেক্রেটারির কাছে অমর চট্টোপাধ্যায় এর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন।
যদিও অমর নাথ চট্টোপাধ্যায় এর দাবি তিনি শুধু চেয়ারম্যান। যা হয়েছে বা যা হবে তা কমিটি দিয়েই হবে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। 100 কোটি টাকার সমস্যায় উঠে আসছে তোদি নামে এক ব্যক্তির নাম ও। যদিও অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন চেয়ারম্যান।

