Student ..Under garment disputeস্কুলে ছাত্রীদের লেগিংস অন্তর্বাস খুলে নেওয়ার অভিযোগ অভিভাবকদের..উত্তাল স্কুল চত্বর
আসানসোলের বারাবনির স্কুলে মেয়েদের লেগিংস ও টেপ খুলে দেবার অভিযোগ…ব্যাপক উত্তেজনা..স্কুলে বারাবনি থানার পুলিশ
দেখুন.. এক্সক্লুসিভ ভিডিও👇
আসানসোলের বারাবনির পুচড়া স্কুলে মেয়েদের লেগিস ও ভেতরে টেপ না পরে আসার নির্দেশে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল স্কুল চত্বরে। বুধবার সকাল থেকেই উত্তেজনা ছড়ায়। চলে বিক্ষোভ। শুধু লেগিস বা টেপ পরে না আসার নির্দেশ নয়..মেয়েদের বাথরুমে নিয়ে গিয়ে লেগিস ও টেপ খুলে দেবার অভিযোগ করছেন অভিভাবকরা। ছাত্রীদের বক্তব্য.. তাদের অন্তর্বাস জোর করে খুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। চোখের জল ফেলতে ফেলতে ছাত্রীদের অভিযোগে উত্তাল হয়ে ওঠে স্কুল চত্তর।
পড়ুন…কেন অনুমোদন নেই অন্তর্বাসে
ছাত্রীদের মায়েদের অভিযোগ…স্কুলের প্রধানশিক্ষক এই লজ্জাজনক ঘটনা ঘটাচ্ছেন। অবিলম্বে তাকে সরাতে হবে।
অপর দিকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং শিক্ষিকাদের বক্তব্য.. অভিভাবকদের অভিযোগ ঠিক নয়। তারা সরকারি নিয়ম মেনে পোশাক পরে আসতে বলেছেন। গরমের কারনে লেগিস পরতে বারণ করেছেন। তবে টেপ খোলার অভিযোগ সম্পুর্ন মিথ্যা।
পড়ুন…কি হচ্ছে স্কুলে
আবার অভিভাবকরা হাতে টেপ এবং লেগিস নিয়ে পুলিশকে দেখাচ্ছেন যে জোর করে খোলা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে স্কুল চত্বরে।
বিক্ষোভ রত মহিলা তথা অভিভাবক রা জানান…তাদের মেয়েরা বড় হয়েছে। বিভিন্ন কারণে শারীরিক অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয়। যে কারণেই লেগিংস পরিয়ে পাঠাতে হয়। সেই লেগিংস তো খুলে নেওয়া হচ্ছে। তারপর আবার জামার ভিতর টেপ ও বাথরুমে নিয়ে গিয়ে খোলানো হচ্ছে। অভিভাবকদের বক্তব্য… যদি গরম লাগার প্রশ্ন হয় তাহলে তো সেটা শিক্ষকের উপলব্ধি করার কথা নয়। এই পোশাক পরে না আসার বিষয় টা অভিভাবকদের জানাতে পারত স্কুল কর্তৃপক্ষ। খুলিয়ে দেবার অধিকার কে দিয়েছে।
আরো পড়ুন..কেন খুলে নেওয়া হলে ছাত্রীদের জামার ভিতরের টেপ:অভিভাবক দের অভিযোগ
অপর দিকে ছাত্রীদের কথায়…বিগত দশ পনেরো দিন ধরে এই ঘটনা চলছে। গত কাল অনেকের ই খুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বস্তুত এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুধু স্কুল নয় , আসে পাশের এলাকায় শুরু হয়েছে বিক্ষোভ। সূত্রের খবর উক্ত প্রধানশিক্ষকের বিরুদ্ধে গ্রাম জুড়ে স্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযানে নামতে চলেছে গ্রামবাসী। যেহেতু গ্রাম্য এলাকায় স্কুল। স্বভাবত ই আসে পাশের গ্রামের ছেলে মেয়েরা পড়ে এই স্কুলে। তার সাথে ছেলে মেয়ে যৌথ ভাবে পড়ে এই স্কুলে। অর্থাৎ ক এডুকেশন । সে ক্ষেত্রে এই ঘটনায় আরো পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে উঠেছে বলে অভিভাবকদের মন্তব্য। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ালেও বারাবনি থানার পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

